ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি আজ (৪ জুলাই) সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ভোর থেকেই জড়ো হতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। দেশটির কর্তৃপক্ষের আশা, বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে এটি ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে পরিণত হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, ভক্ত ও অনুরাগীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে গ্র্যান্ড মোসাল্লা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শহর ও প্রদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ রাজধানীতে পৌঁছেছেন। অনেকেই অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন, যাতে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন।
এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খামেনির দাফন উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইরান ও ইরাকের অন্তত পাঁচটি শহরে এসব কর্মসূচি পালিত হবে। শুক্রবার (৩ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে এ আয়োজন শুরু হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে চলতি বছরের মার্চে দাফনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়। পরে নতুন করে দাফনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়। ইরানের দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন আলি খামেনি।
সাত দিনের দাফন কর্মসূচি
৪ ও ৫ জুলাই:
তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়েছে। খামেনির মরদেহের পাশাপাশি পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের মরদেহও সেখানে রাখা হবে। ইরানের অন্যতম বৃহৎ এই প্রার্থনাস্থল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৬ ও ৭ জুলাই:
তেহরান থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের কোম শহরের উদ্দেশে বিশাল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া ইসলামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কোমে খামেনির দীর্ঘ শিক্ষা ও ধর্মীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কেটেছে।
৮ জুলাই:
ইরাকের নজফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার পর নজফ ও কারবালায় পৃথক শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই দুই শহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও অনুসারীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
৯ জুলাই:
সবশেষে মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে। শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র এই স্থানটি আলি খামেনির ব্যক্তিগত জীবনেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ১৯৩৯ সালে মাশহাদেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি এবং ধর্মীয় শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশও এই শহরেই কাটিয়েছেন।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);