গাজীপুরের কালীগঞ্জে মুক্তিপণের দাবিতে বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল র এক কর্মীকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি মিঠু পাঠানসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে অপহৃত ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাতে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির ডিউটি শেষে বাড়ি ফিরছিলেন ভিকটিম মো. হক সাব (২৪)। উপজেলার মূলগাঁও এলাকায় প্রাণ-আরএফএল এর ৩নং গেটের সামনে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা একদল অপহরণকারী তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা তাকে মূলগাঁও চৌকিদার বাড়ির পেছনে একটি নির্জন বাগানে নিয়ে আটকে রাখে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় ভিকটিম তার কাছে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা দিলেও অপহরণকারীরা সন্তুষ্ট না হয়ে আরও ১০ হাজার টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। নিরুপায় হয়ে ভিকটিম তার স্ত্রীকে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বলেন।
ভিকটিমের স্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ থানায় বিষয়টি অবহিত করলে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম ও এসআই মাসুদ রানা শামীমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ৩১ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ২টার দিকে দেওপাড়া সংলগ্ন সেভেন রিংস কোম্পানির ৫নং গেটের সামনে থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ঘটনাস্থল ও পরবর্তী অভিযানে মূল হোতা মিঠু পাঠান (৪০), তার ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে তামিম (১৯), সাগর (২৫) ও কনক মিয়াকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত মিঠু পাঠানের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, দস্যুতা ও মাদকসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। অপর আসামি কনক মিয়ার বিরুদ্ধেও ৩টি গুরুতর মামলা রয়েছে। এই অপহরণের ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় মামলা নং-৩২ দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে পুলিশ পৃথক একটি অভিযানে পানোজোড়া এলাকা থেকে ইয়াবাসহ সানি মিয়া (২২) ও জাহিদুল (২৬) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ মাসের সাজা প্রদান করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, অপরাধীদের দমনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারীদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় স্বস্তি ফেরাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);