চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিশ্লেষণ সামনে এসেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহানেদ সেলুম মনে করেন, যুদ্ধের আগের অবস্থায় কোনো শর্ত ছাড়াই ফিরে যেতে আগ্রহী নয় তেহরান। বরং ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে ইরান।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলুম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কূটনৈতিক উদ্যোগ থেকে সামরিক সংঘাতে এবং পরে আবার আলোচনার পথে ফিরে এসেছে। তার মতে, ওয়াশিংটন এখন দাবি করছে যে তারা সামরিক ক্ষেত্রে কিছু অর্জন করেছে এবং সেই অবস্থানকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে চায়। তবে ইরান এ প্রচেষ্টার বিষয়ে সতর্ক ও অনমনীয় অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংঘাতের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে হলেও ওয়াশিংটনের হাতে এখনো প্রতিরোধক্ষমতা, সামরিক আক্রমণাত্মক শক্তি এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার সক্ষমতা রয়েছে। বিপরীতে ইরানের সরাসরি চাপ প্রয়োগের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। তবু হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের প্রভাব এখনো গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সেলুমের মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান আগের তুলনায় দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধে টিকে থাকা আর যুদ্ধে সফল হওয়া এক বিষয় নয়।
তবে সবকিছুর পরো তেহরান এখনো কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ইরান এমন কোনো সমঝোতায় ফিরতে চায় না যেখানে আগের পরিস্থিতিই শুধু পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে; বরং তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাড়তি রাজনৈতিক বা কৌশলগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);