আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামের পাঁচ স্থানে সমাবেশে অংশ নেবেন। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এসব সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের শরিক ১১ দলীয় জোট।
দলীয় সূত্র জানায়, ডা. শফিকুর রহমানের সফর উপলক্ষে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে মহেশখালীতে সকাল ৯টায়, কক্সবাজার সদরে সকাল ১০টায়, লোহাগাড়ার পদুয়ায় দুপুর ১১টায়, সীতাকুণ্ডে দুপুর ২টায় এবং চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বিকেল ৫টায় সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সব সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতের আমিরের চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে জনসভাগুলো সফল করতে দলটির নেতাকর্মীরা স্বাগত মিছিল, পথসভা, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণসহ নানা প্রস্তুতি কার্যক্রম চালাচ্ছেন। চট্টগ্রাম মহানগর ও আশপাশের এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরাও এসব কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে জনসভাগুলো আয়োজন করা হলেও এতে নির্বাচনী ঐক্যের শরিক অন্যান্য দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম জোনের প্রধান মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, পাঁচটি জনসভা মিলিয়ে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। এই সফরের মূল লক্ষ্য ৫৪ বছরের পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করে একটি নতুন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থায় দেশকে নিয়ে যাওয়া। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরবেন জামায়াতের আমির। পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানাবেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি এলাকার জন্য ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে থাকবে আলাদা আলাদা বার্তা। কক্সবাজারের জন্য পর্যটনবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কথা গুরুত্ব পাবে। চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগরী গঠনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন তিনি। ডা. শফিক প্রতিটি সফরের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নাগরিক সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে অধ্যয়ন করেন। ফলে তার বক্তব্যে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা ও দাবিগুলো স্পষ্টভাবে উঠে আসবে।
এদিকে, জনসমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সমাবেশস্থলগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে থাকবেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, জনসমাগম বিবেচনায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরে একটি বড় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। মঞ্চ ও আনুষঙ্গিক সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরে মাগরিবের পর জামায়াতের আমির তার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, স্মরণকালের বড় জনসভা লোহাগাড়ার পদুয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে আমিরে জামায়াত জামায়াত দক্ষিণ জেলার বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে করণীয় তুলে ধরবেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের নিয়ে তিনি বার্তা দেবেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);