কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত মেরিন ড্রাইভ সড়ক। এক পাশে নীল সমুদ্রের অনন্ত বিস্তার, অন্য পাশে সবুজ পাহাড়ের সারি। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ধরে নির্মিত এই ৮০ কিলোমিটারের পথ বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে এক গর্বের নাম। প্রতিদিন হাজারো পর্যটক এই পথে ছুটে আসেন সৌন্দর্যের টানে। কিন্তু এই একই সড়কের আরেকটি পরিচয় আছে- যে পরিচয় কোনো ভ্রমণ গাইডে লেখা নেই। পোস্টকার্ডের মতো সুন্দর এই সড়কটিকে স্থানীয়রা নাম দিয়েছেন ‘মৃত্যুর হাইওয়ে’। গত এক দশকে এই পথের বাঁকে বাঁকে ঘটে গেছে একের পর এক ‘বন্দুকযুদ্ধ’। প্রতিটি ঘটনার গল্প প্রায় একই- রাতের বেলা আটক, ভোরে লাশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষায় ‘ক্রসফায়ার’, পরিবারের ভাষায় ‘হত্যা’।
এই মেরিন ড্রাইভ সড়কের অন্যপাশের হ্নীলা ইউনিয়ন। নাফ নদীঘেঁষা এই জনপদে একটি পরিবার এখন বেঁচে আছে কেবল শোক, আতঙ্ক আর বিচারের অপেক্ষা নিয়ে। গত এক দশকে তাদের অন্তত ছয় সদস্য হত্যার শিকার হয়েছেন।
পরিবারের দাবি- রাজনৈতিক বিরোধ এবং প্রশাসনের একটি অংশের প্রত্যক্ষ মদদেই এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিটি ঘটনাকেই ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বা অপরাধবিরোধী অভিযান হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ৬ মে। ভোররাতে ফজরের নামাজের পর একই পরিবারের তিন সদস্য- নুরুল আলম, তার ভাই সৈয়দ আলম এবং ভাগিনা আবদুল মোনামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিহত নুরুল আলমের ভাই শাহ আলম বলেন, ফজরের নামাজ শেষ করার পরপরই ওসি প্রদীপ এবং স্থানীয় কিছু লোকজন এসে আমার বড় ভাই নুরুল আলম, ভাই সৈয়দ আলম এবং ভাগিনা মোনামকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা তাদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানো হয়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। দাবি পূরণে অস্বীকৃতি জানানোর পর পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। মামলার আসামিদের কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা নেওয়ার পর প্রথমে সৈয়দ আলমের হাত কেটে ফেলা হয়, এরপর একে একে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
নিহত নুরুল আলমের মেয়ে হাবিবা ইয়াসমিন বলেন, আমার আব্বু সেহরি খেয়ে ওজু করছিলেন। তখনই তাকে ধরে নিয়ে যায়। আমরা নিজের চোখে দেখেছি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমার আব্বু বলছিলেন, আমাকে ইফতার পর্যন্ত রাখো, ইফতারের পর মারো। কিন্তু তারা শোনেনি। বুকে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
তিনি জানান, তার বাবা আনসার ভিডিপির সদস্য ছিলেন এবং অসুস্থতার কারণে ছুটিতে বাড়িতে ছিলেন। অথচ হত্যার পর তাকে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
শাহ আলম জানান, ২০১৩ সালে রাজনৈতিক মিছিলে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে তার দুই ভাইকে হত্যা করা হয়। ২০১৫ সালে তার বোনের স্বামীকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর ২০২০ সালে আরও তিনজন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। শাহ আলম বলেন, আমাদের একটাই অপরাধ- আমরা বিএনপির হয়ে মিটিং-মিছিল করেছি। সেই কারণে পুরো পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকারের অনুমতির পর ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পিবিআই চারবার তদন্ত করতে এসেছে। কিন্তু এখনো কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। ক্লান্ত কণ্ঠে শাহ আলম বলেন, আমার ছয়জন আপন মানুষকে মেরে ফেলেছে। আজ পর্যন্ত একটি হত্যারও বিচার পাইনি। কোর্টে যাই, আবার আসি- কিছুই হয় না।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ৯ বছরে কক্সবাজার জেলায় অন্তত ৯৮টি কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হয়েছেন ১৩৬ জন। এর মধ্যে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালেই নিহত হন ১২৭ জন, শুধু টেকনাফেই অন্তত ৭৫ জন। প্রায় প্রতিটি ঘটনার বর্ণনায় একই ধাঁচ- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, গুলিবিনিময়, তারপর মৃত্যু। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় অস্ত্র বা মাদক, নিহতকে চিহ্নিত করা হয় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বা ‘মাদক কারবারি’ হিসেবে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব ঘটনার হটস্পট পাঁচটি এলাকা- মেরিন ড্রাইভ, সংলগ্ন পাহাড়ি জঙ্গল, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশ, নাফ নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং মহেশখালীর কালারমারছড়া। নিহতদের পরিবারের দাবি ভিন্ন- অনেককে আগেই আটক করে পরে হত্যা করে ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই একরৈখিক বয়ানের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ধারাবাহিক অভিযোগ। অনুসন্ধানে এমন একাধিক ঘটনায় প্রমাণ মিলেছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগেই তুলে নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি, অথচ পরে তাকে ‘ক্রসফায়ারে নিহত’ দেখানো হয়েছে।
২০১৯ সালের ১৯ মার্চ টেকনাফের মাছ ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়। পরিবারের কাছে দাবি করা হয় ৪০ লাখ টাকা। স্বামীকে ফিরে পাওয়ার আশায় গহনা বিক্রি করে, ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করে দেন তার স্ত্রী। কিন্তু সেই অর্থও তার স্বামীকে বাঁচাতে পারেনি। পরদিনই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ গল্প তৈরি হয়।
নূর মোহাম্মদের স্ত্রীর ভাষ্যমতে, তাকে গাড়িতে তুলে রাজেরছড়া এলাকার একটি সুপারি বাগানের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়; সেখানে অস্ত্রের মুখে আটকে রাখা অবস্থায় তিনি স্বামীর ওপর নির্যাতন এবং পরে গুলির শব্দ শুনতে পান। দাফনের সময়ও ছাড় ছিল না- দিনে দাফন করা যাবে না, মাইকিং করা যাবে না- রাতের আঁধারেই দাফন করতে বাধ্য করা হয় পরিবারকে।
কাঁপা কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি বলছিলাম, মারধর করলা, কোর্টে চালান দাও- দশ বছর পর হলেও ফিরে আসবে। কিন্তু তারা শোনেনি। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও দুই সন্তান নিয়ে তার সংগ্রাম থামেনি, থামেনি বিচার-প্রার্থনাও।
২০২০ সালের ২৩ জুলাই উখিয়ার ইউপি সদস্য বখতিয়ার উদ্দিনকে নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যান উখিয়া থানার তৎকালীন ওসি মর্জিনা আক্তার এবং টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস। বলা হয়, একজন আসামিকে শনাক্ত করতে সহযোগিতা প্রয়োজন। অথচ পুলিশি নথিপত্রে ওই সময় পর্যন্ত বখতিয়ারের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড, এমনকি একটি সাধারণ ডায়েরিও ছিল না। এরপর তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ৫১ লাখ টাকার বেশি নগদ অর্থ এবং জমির গুরুত্বপূর্ণ দলিল নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরিবার অভিযোগ করে। পরদিনই সেই পরিচিত বয়ান- ‘বন্দুকযুদ্ধে নিহত’।
২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিল মাত্র ১১ দিনের সন্তানকে দেখে বাড়ি ফিরছিলেন টেকনাফের দিল মোহাম্মদ। সাবরাং রোডের হাবিরপাড়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। চার দিন আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়, পরিবারের কাছে দাবি করা হয় ৫০ লাখ টাকা। ধারদেনা করে ১৫ লাখ টাকা দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ২৩ এপ্রিল শবেবরাতের রাতে মেরিন ড্রাইভে নিয়ে গুলি করে মঞ্চায়ন করা হয় ক্রসফায়ারের নাটক।
তার ভাই মো. শাকের বলেন, আমার মা চার দিন টেকনাফ থানার সামনে ছিল, শুধু একবার ছেলেকে দেখার জন্য। শবেবরাতের রাত ছিল সেদিন। মা নিজের হাতে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়েছিল; কিন্তু খাওয়াতে পারেনি।
একই দিন একই স্থান থেকে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের একজন বেঁচে ফেরার গল্প বলেন, থানা পুলিশ তাদের এমপির বাসায় নিয়ে যায়, সেখানে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন। এমপির নির্দেশে ‘ক্রসফায়ারে দেওয়ার’ সিদ্ধান্ত হয়। ১০ লাখ টাকা দিয়ে ছাড়া পান তিনি। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত অপর ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়।
অনুসন্ধানে অন্তত ১৯৬ জনকে হত্যার তথ্য ও প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছেন মাত্র ১৭ বছর বয়সী কিশোর সৈয়দ হোছন ওরফে আবদুল মোনাম- যাকে দুই মামার সাথে তুলে নিয়ে মাদক কারবারি সাজিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের নথিতে তার বয়স দেখানো হয়েছে ২২ বছর, কিন্তু জন্মনিবন্ধন সনদ বলছে- হত্যার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ৯ মাস ৩০ দিন।
২০১৮ সালে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানের সময় ‘ক্রসফায়ার’ প্রবণতা ভয়াবহ রূপ নেয়। সে বছর সারা দেশে দুইশরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে। ওই বছরের ২৬ মে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যুর আগে পরিবারের সঙ্গে হওয়া ফোনালাপ ফাঁস হয়ে যায়। ওই অডিওতে গুলির শব্দ ও আতঙ্কিত কণ্ঠ শোনা যায়, যা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বয়ানের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
মানবাধিকারকর্মীরা সরব হয়ে ওঠেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশ্ন ওঠে। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই মেরিন ড্রাইভে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান পুলিশের গুলিতে নিহত হলে একই প্রশ্ন আবার সামনে আসে। ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ একাধিক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হন- যা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোর পর দেওয়া অস্বীকারের বয়ানকে ভেঙে দেয়।
কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ ধরনের হত্যার কোনো বৈধতা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা- শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব আদালতের, বাহিনীর নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে কাউকে হত্যা করা হলে ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতিই প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, টেকনাফ অঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন বা ব্যক্তিগত বিরোধ মেটানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত করা এবং পরে তা ‘অভিযান’ হিসেবে উপস্থাপন করা সহজ হয়ে যায়।
হ্নীলার সেই পরিবার এখনো অপেক্ষায়। নূর মোহাম্মদের স্ত্রীর শেষ আশ্রয় এখন কেবল বিশ্বাসে- তিনি বলেন, আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিছি। শাহ আলম, হাবিবা, শাকের- তাদের কাছে ‘ক্রসফায়ার’ কেবল একটি শব্দ নয়। এটি প্রিয়জন হারানোর অমোচনীয় দাগ, যার বিচার আজও অধরা।
‘ক্রসফায়ারে’ যাদের হত্যা করা হয়েছে, তারা হলেন, দিদার ওরফে মৌলভি; পিতা: মৃত ইউসুফ, মো. আবু হানিফ; পিতা নাজমুল, আব্দুস সামাদ; পিতা শাহ আলম, সওকত আলী; পিতা: মৃত কবির আহমেদ, মো. করিম ওরফে কলিম উল্লাহ ওরফে কবির উল্লাহ; পিতা: নীর আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম; পিতা: আবুল মনছুর, জাহাঙ্গীর; পিতা: সৈয়দ আলম, সাদ্দাম হোসেন; পিতা: তোফায়েল আহমেদ, সাদ্দাম হোসেন; পিতা: সুলতান আহাম্মদ, জিয়াউল বশির শাহীন; পিতা: সৈয়দ হোসেন ওরফে সৈয়দ, ফরিদ আলম; পিতা: মৃত আব্দুল কাদের, আব্দুল আমিন; পিতা: আমির হামজা, নাজির আহম্মদ; পিতা: মৃত রহিম মাঝি, মো. জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া; পিতা: হাজি মোহাম্মদ ইসলাম, বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া; মো. ইউসুফ জামাল বাহাদুর; পিতা: খলিলুর রহমান, আবুল কালাম ও রশিদ আহাম্মদ; শামসুল আলম পিতা হোছেন; মো. গিয়াস উদ্দিন; আবুল হাসেম প্রকাশ নাজির; পিতা: জানে আলম প্রকাশ; নুর মোহাম্মদ পিতা: এজাহার মিয়া; নুরল ইসলাম পিতা: এখলাছ মিয়া; মোহাম্মদ হোসেন পিতা: হাবিরছড়া; মাহমুদুর রহমান পিতা: হোসেন; আবছার পিতা: নুর ইসলাম; নুর আলম পিতা: আমির হোসেন; মো. জুবায়ের পিতা: মো ইউনুছ; হামিদ উল্লাহ পিতা: ইমান হোসেন, মো কাশেম পিতা: আনু মিয়া; মো. আলম; মো. রফিক; দুদু মিয়া পিতা: মৃত হাজি সুলতান; মো. ইব্রাহিম পিতা: নুরল আমিন প্রকাশ; মো. হানিফ পিতা: মৃত কাশেম; হাজি মো. সাইফুল করিম পিতা: ডা. হানিফ; মফিজ আলম পিতা: নজির আহামম্মদ; রাসেল মাহমুদ পিতা: ফয়েজ আহাম্মদ; মো. রুবেল পিতা মৃত বশির আহাম্মদ; ওমর ফারুক পিতা: হাবিব উল্লাহ; আব্দুস সালাম ও আব্দুর রহমান উভয়ের পিতা হোছন প্রকাশ; মো. হামিদ ওরফে হামিদ মেম্বার পিতা: আবুল হাসিম প্রকাশ; মফিদ আলম পিতা: মৃত নজির আহাম্মদ; মো. হোছন পিতা আনু মিয়া; ইমরান মোল্লা পিতা: মৃত জহিরুল মোল্লা; মো. মোস্তাক আহাম্মদ পিতা: সাহাব মিয়া; মো. বাবুল পিতা আনোয়ার হোসেন; মো. ইব্রাহিম পিতা: সৈয়দ আলী; নুর মোহাম্মদ নুর প্রকাশ: মো. আব্দুল করিম পিতা: জমির আহমদ; নোছার আহাম্মদ পিতা: সৈয়দ হোসেন; হাবিবুল্লাহ ওরফে হাবিরান; মো. জামিল পিতা: ফজল আহাম্মদ; আসমত উল্লাহ পিতা: নবী হোসেন; মো., রফিক পিতা: মোহাম্মদ আলী; দীল মোহাম্মদ; আব্দুল আমিন পিতা: আলী চান; মো. হেলাল উদ্দিন পিতা: মৃত নুর মোহাম্মদ; আহাম্মদ হোসেন; আব্দুর রহমান; জিয়াউল হক ওরফে জিয়া পিতা: সামশুল আলম; আজিমুল্লাহ পিতা: মৃত কেফায়েত; মো. আজিজ পিতা: সালেহ আহাম্মমদ; ছলিম প্রকাশ পিতা: কাদের হোসেন; মাহমুদুল হাসান পিতা: বাকার আহাম্মদ; মোহাম্মদ উল্লা পিতা: হায়দার আলী; মো. আমিন ওরফে নুর হাফেজ পিতা: দিল মোহাম্মদ; ছমুদা স্বামী মৃত নুরু ছালাম; মো. নাসির পিতা: জালাল আহাম্মদ; মো. মোজাহের মিয়া পিতা: হাকিম; আব্দুর ছালাম, পিতা: হামিক আলী; অজি উল্লাহ পিতা: সিরাজুল ইসলাম; দুদু মিয়া পিতা: হাজি সুলতান; মো. মিজান পিতা মো. জাফর আলম; মাহামুদুল্লাহ পিতা: সুলতান আহামম্মদ; সেয়দ আলম ও নুরুল আলম উভয়ের পিতা: আব্দুল মজিদ প্রকাশ; আব্দুল মুনাফ পিতা সাব্বির আহাম্মদ; নুর মোহাম্মদ পিতা: নুর ছালাম; মো. রফিক পিতা: সৈয়দ করিম; শরিফ পিতা: ছলিম; ইমাম হোসেন পিতা: মো. সুলতান আহাম্মদ; আবুর কাশেম পিতা: ফজল আহাম্মদ; সাদ্দাম হোসেন পিতা: মৃত সোলতান আহাম্মদ; মো. আজাদুল হক পিতা: মৃত হাকিম আল; মো. ফারুক পিতা: মৃত হাকিম আলী; মো. তাহের পিতা: ইউসুফ আলী; মৌলভি বখতিয়ার প্রকাশ পিতা: কালা মিয়া; খোরশেদ আলম পিতা: গোলাম হোসেন; আব্দুল করিম পিতা: আবদুস সালাম; রুবেল পিতা মো. ছিদ্দিক; আনোয়ার ইসলাম পিতা: শহিদুল ইসলাম; আবুল হাশিম পিতা: হোসাইন শরীফ; মো. আব্দুল নাছির পিতা: মো. জাকের; মো. ইলিয়াস পিতা: মৃক সাফি; মো. নুরল আমিন পিতা: মো. মকতুল হোসেন; মো. জোবায়ের; মঞ্জুর আলম; নুরুল আমিন ওরফে নুর হোসেন; সৈয়দুল মোস্তফা; আজিমুল্লাহ; মো. জামিল; মো. এমরান; নুর কামাল পিতা: নুর আহাম্মদ; সাইফুল ইসলাম সোহেল পিতা: আব্দুর শুক্কুর; আব্দুল হাকিম ; রশিদ; মো. ইসহাক পিতা: আব্দুল মতলব; রশিদ পিতা: মো: সফি; জকির আহাম্মদ প্রকাশ পিতা: হাজি আব্দুল আমিন; আব্দুল হামিদ পিতা: মো. হাসিম; জহির আহামম্মদ হোসাইন আহাম্মদ; মো. হাশেম ওরফে উল্লাহ পিতা: মো. বশির আহাম্মদ; নুরল হক পিতা: আব্দুর বশর আহাম্মদ; কেফায়েত উল্লাহ; কুরবান আলী ওরফে শফিক; আব্দুল্লাহ আল মোবিন; পিতা: অব্দু রহিম; মো. আব্দুল্লাহ আল রিফাত পিতা: আব্দুল মালেক; মো. নুর নবী পিতা: মুত আবদুল করিম; আবুল কাশেম পিতা: সৈয়দ আহাম্মদ; মো. খলিলুর রহমান পিতা: চান মিয়া মাঝি; দিদারুল ইসলাম দিলদার পিতা: ফোর আহাম্মদ; সাজ্জাদ পিতা: আবুল হাসেম; মুরাদ পিতা: শাহাদাত হোসেন; ফরিদ আলম পিতা: বদি আলম; খুলু মিয়া পিতা: মৃত আজম উল্লাহ; মোকারম হোসেন জাম্বু পিতা: এখলাছ; মো. এনাম পিতা: নুরুল হক; আব্দুল মালেক; জয়নাল আবেদীন পিতা: মফিজুর রহমান; মো. সাজ্জাদ হোসেন পিতা: আবুল হোসেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);