মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ঘোষণা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা কিংবা জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালাতে দেওয়া হবে না।
ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এই অবস্থানের কথা জানায় আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন একটি নৌবহর উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন–পীড়নের পর ইরানের পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে ওয়াশিংটন।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক তৎপরতায় নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি। এমনকি এ ধরনের হামলায় কোনো ধরনের লজিস্টিক সহায়তাও দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়।
উল্লেখ্য, রাজধানী আবুধাবির নিকটবর্তী আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সংলাপ, উত্তেজনা প্রশমন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষাই সর্বোত্তম পথ বলে মনে করে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ৮ জানুয়ারি থেকে কয়েক দিন ধরে সারা দেশে এই বিক্ষোভ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) ইরানে সাম্প্রতি বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার মানুষের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসা ধর্মীয় নেতৃত্ব নজিরবিহীন ওই বিক্ষোভ দমনের পর এখনো টিকে আছে। দেশটির ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর বিরোধিতাকারী অনেকে পরিবর্তনের সবচেয়ে সম্ভাব্য পথ হিসেবে এখনো বাইরের হস্তক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেও পরে জোর দিয়ে বলেছেন, সেটি এখনো একটি বিকল্প।
সূত্র: এএফপি।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);