প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা আচরণবিধি ভঙ্গ করে বক্তব্য ও বিবৃতি দিচ্ছেন, অথচ এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
একই দিন বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি অভিযোগ করেন, তফসিল ঘোষণার আগেই কিছু দলের প্রার্থীরা প্রকাশ্যে প্রচারণা চালালেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বহু অভিযোগ জমা পড়লেও ইসি তাতে উদাসীন রয়েছে। পাশাপাশি দলীয় প্রধানদের প্রটোকল ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর অরাজনৈতিক সফর স্থগিত করেছেন। এটি আচরণবিধির কারণে নয়, বরং ইসির অনুরোধেই করা হয়েছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে বিভিন্ন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বক্তব্য ও বিবৃতিতে আচরণবিধি লঙ্ঘন হলেও নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নির্লিপ্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখবে—এমনটাই তারা প্রত্যাশা করেন।
এদিকে ভোটার স্লিপ সংক্রান্ত আচরণবিধি পরিবর্তনের প্রস্তাবও দিয়েছে বিএনপি। সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে দল বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে বিতরণ করা ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটার স্লিপে শুধু ভোটারের নাম, ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা যায়; কোনো দলের নাম, প্রতীক বা প্রার্থীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আচরণ বিধিতে এ বিষয়ে পরিবর্তনের আনার কথা বলেছি।’
বিএনপি ও জামায়াতের অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘সব অভিযোগের জন্য একটি কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে। আমরা সবাইকে বলেছি, রিটার্নিং অফিসারের কাছেও যেন অভিযোগ দেন। আমরা প্রতিদিন এমন বহু অভিযোগ ব্যবস্থাপনা করছি। সুতরাং কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট নির্বাচনের সময় একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আজকেও দেখবেন পত্রিকায় নিউজ হয়েছে, কত জায়গায় আমরা শোকজ করেছি, ফাইন করেছি। এগুলো চলমান প্রক্রিয়া, চলতে থাকবে। যাঁদের অভিযোগ আছে তাঁরা অবশ্যই অভিযোগ করবেন। আমরা চাই নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার হোক।’
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);