ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে অত্যন্ত উচ্চমাত্রার অপারেশনাল বা যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও সমন্বয়কারী ডেপুটি রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সায়ারি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
রিয়ার অ্যাডমিরাল সায়ারি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মূল শক্তি হলো একদল নিবেদিতপ্রাণ তরুণ সৈনিক, যারা যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ ও কার্যকর। তিনি জানান, বর্তমান বাহিনী আধুনিক সরঞ্জাম ও উন্নত প্রশিক্ষণে সজ্জিত এবং উচ্চ মনোবল নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
বক্তব্যে তিনি ২০২৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসনের চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। সায়ারির মতে, এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিধ্বংসী সংঘাত থেকে ইরান গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা গ্রহণ করেছে। এর ফলে সশস্ত্র বাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বেড়েছে, দক্ষতার উন্নয়ন ঘটেছে এবং প্রতিটি সেক্টরে সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের সরাসরি সমর্থন, সেনাদের অটল বিশ্বাস এবং লড়াইয়ের দৃঢ় মানসিকতা বাহিনীর শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এসব উপাদান মিলিয়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখন এক অবিসংবাদিত বাস্তবতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);