সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার-এর প্রায় ৭০০ বছরের প্রচলিত দান ব্যবস্থাপনার রীতিতে পরিবর্তন এনে এবার প্রকাশ্যে দানবাক্স খুলে টাকা গণনার উদ্যোগ নিয়েছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম।
সোমবার (২২ জুন) বিকেলে মাজার প্রাঙ্গণে প্রশাসনের উপস্থিতিতে তিনটি দান ডেগ এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা নতুন দানবাক্স খুলে অর্থ গণনা শুরু করা হয়। দুপুর আড়াইটা থেকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, পুরো গণনা কার্যক্রমটি জনসম্মুখে সম্পন্ন করা হয়েছে, যা আগে কখনো এইভাবে প্রকাশ্যে হয়নি। ঐতিহ্যগতভাবে শত শত বছর ধরে মাজারের দানবাক্স খোলা ও অর্থ গণনা গোপনভাবে খাদেম ও মুতাওয়াল্লিদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হতো।
গণনায় দেখা যায়, দানবাক্সে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি প্রায় ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং সৌদি রিয়াল, ডলার ও পাউন্ডসহ বিভিন্ন বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া যায়।
ঘটনাটি ঘিরে মাজারভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উদ্যোগে মাজারের ঐতিহাসিক তিনটি দান ডেগ সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয় এবং নিরাপত্তার জন্য আনসার মোতায়েন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, দান ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ পরিবর্তনের পরপরই মাজারভক্ত ও খাদেমদের একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে বিক্ষোভও করেন।
পরিস্থিতি ঘিরে গত রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক পদ থেকে প্রত্যাহার করে উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়। যদিও প্রজ্ঞাপনে তার প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এরপর সোমবার সিলেটে তার প্রত্যাহার আদেশ বাতিল ও পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচিও পালন করা হয়।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);