চার বছর আগে লিওনেল মেসির নেতৃত্বেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এবারও তার অধিনায়কত্বে দলটি পৌঁছে গেছে আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে। শুধু ট্রফি জয়ের হাতছানিই নয়, ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবেও মেসির সামনে রয়েছে গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগ।
তবে আজ রোববার স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসি দুটি গোল করলেও পুরস্কার নিশ্চিত হবে না। কারণ, গোলসংখ্যা সমান হলে এগিয়ে থাকবেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বর্তমানে দুজনেরই অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৪টি করে।
সেক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনায় আসবে মাঠে কাটানো সময়। এই দিক থেকে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে। ফরাসি তারকা খেলেছেন ৭৬৯ মিনিট, আর মেসির খেলা হয়েছে ৭১২ মিনিট। ফাইনালে মেসি ৫৮ মিনিট মাঠে থাকলেই তার মোট খেলার সময় এমবাপ্পের চেয়ে বেশি হবে। গোল্ডেন বুট নির্ধারণে কম মিনিট খেলা খেলোয়াড়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে মূলত দুটি সুযোগ রয়েছে—
১. স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে হ্যাটট্রিক করা। তাহলে এমবাপ্পের ১০ গোলকে ছাড়িয়ে মেসির গোলসংখ্যা হবে ১১।
২. দুটি গোলের পাশাপাশি অন্তত একটি অ্যাসিস্ট করা। সেক্ষেত্রে মেসির গোল হবে ১০টি এবং অ্যাসিস্ট হবে ৫টি। অ্যাসিস্টের দিক থেকে এগিয়ে গিয়ে তিনি ছাড়িয়ে যাবেন এমবাপ্পেকে।
দুটি পথের মধ্যে হ্যাটট্রিকই হয়তো সবচেয়ে সহজ সমাধান হতে পারে, যদিও বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিকের ঘটনা খুবই বিরল। এখন পর্যন্ত ফাইনালের মঞ্চে মাত্র দুজন খেলোয়াড় এই কীর্তি গড়েছেন—১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্ট এবং ২০২২ সালে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।
চলতি বিশ্বকাপেই ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন মেসি। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তিন গোল করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেদিনের প্রতিপক্ষ আর আজকের ফাইনালের প্রতিপক্ষ এক নয়—এবার তার সামনে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল স্পেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);