স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য সঙ্গী। তবে সামান্য অসাবধানতা কিংবা প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে এই প্রয়োজনীয় ডিভাইসই মুহূর্তে ভয়ংকর বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। গত দুই মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ডের অন্তত চারটি স্মার্টফোন বিস্ফোরণের ঘটনা সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় কেউ হারিয়েছে প্রিয় ফোন, কেউ হয়েছে আর্থিক ক্ষতির শিকার, আবার কেউ আহতও হয়েছে। এমনকি গত ১৪ জুন আশুলিয়ায় মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে এক জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।
এবার তেমনই এক মোবাইল বিষ্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায়। ভুক্তভোগী বলেন, ১৪ জুলাই অনার ব্র্যান্ডের ‘এক্স-২০০’ (Honor X200) মডেলের একটি স্মার্টফোন হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়।
জানা গেছে, ফোনটির মালিক মোহাম্মদ রতন ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা। মাত্র আট মাস আগে তিনি প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে অনার ব্র্যান্ডের “এক্স-২০০” (Honor X200) স্মার্টফোনটি কিনেছিলেন।
দুরবিন নিউজকে রতন জানান, প্রতিদিনের মতো কাজের উদ্দেশ্যে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন হঠাৎ পকেট থেকে ফোনটি রাস্তায় পড়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে এক পথচারীর পায়ের নিচে ফোনটি চাপা পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় অনার এক্স-২০০। এবং বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই ফোনটিতে আগুন ধরে যায় এবং আশপাশের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
তিনি আরও জানান, উপস্থিত পথচারী ও তিনি নিজে প্রায় ২০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ফোনটির বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। এছাড়া যে পথচারীর পায়ের নিচে ফোনটি ছিল, তার জুতাতেও আগুন ধরে বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়। আগুন নেভানোর সময় আগুনের ছিটায় রতনের পায়েও সামান্য দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার পর তিনি অনারের কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সন্তোষজনক সমাধান পাননি। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে দামি এই স্মার্টফোনটি কিনলেও এমন ঘটনার পর অনার ব্র্যান্ডের প্রতি তার আস্থা নষ্ট হয়েছে।
তবে এই ঘটনার বিষয়ে অনার কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন সকালে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলামের পকেটে থাকা VIVO Y12 মডেলের একটি মোবাইল ফোন বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
আবার, গত ২১ জুন টঙ্গীর একটি আবাসিক এলাকায় VIVO Y20 মডেলের একটি স্মার্টফোন বিস্ফোরিত হয়। পরিবারের দাবি, ফোনটি যদি ঘরের ভেতরে বা বিছানায় থাকত, তাহলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা ছিল।
অন্যদিকে, গত ১৪ জুন আশুলিয়ায় মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিজানুর রহমান (৪৪)। তিনি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার লাঙলমোড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি আশুলিয়ায় স্টক লটের ব্যবসা করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার রাতে বিকট শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে যান। তখন ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে রুমের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরণের ফলে ঘরের কিছু আসবাবপত্রও পুড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনাস্থলে ভিভোর সাব-ব্র্যান্ড আইকিউ (IQOO) মডেলের একটি স্মার্টফোনের প্যাকেট এবং মোবাইল ও চার্জারের পোড়া অংশ পাওয়া যায়।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);