সাম্প্রতিক বন্যা ও ভয়াবহ পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের অন্যতম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি’ (ইউসিবি)। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পাহাড়ের দুর্গত পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে ব্যাংকটি।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের অরুনিমা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক-সামাজিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইউসিবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম উত্তর অঞ্চলের প্রধান মো. মাইনউদ্দিন, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার ব্যবস্থাপক আবু সাঈদ মোহাম্মদ জুনায়েদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, এম এন আবছার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মোশারফ হোসেন, অনিমেষ চাকমা রিঙ্কু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা সহ ব্যাংকের অন্যান্য প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইউসিবি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকা ব্যাংকটির করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাগড়াছড়ি শহরের পাশাপাশি দুর্গম বাঘাইছড়ি এবং বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত মানুষের মাঝেও পর্যায়ক্রমে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
শুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণই নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের টেকসই পুনর্বাসন ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যাংকটির পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেন।
দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ত্রাণসহায়তা পেয়ে ইউসিবি ব্যাংক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী পরিবারগুলো।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ে দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে সফল করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমন মানবিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ইউসিবি ব্যাংকের এই উদ্যোগ অন্যান্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানকেও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);