বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগরবাসী। আধুনিক এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের নম্বরপ্লেট শনাক্ত করে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। তবে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্নও উঠছে—যেসব যানবাহনের কোনো বৈধ নম্বরপ্লেটই নেই, সেগুলোকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে?
বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা স্থানীয়ভাবে পরিচিত “ব্যাটারি রিকশা” নিয়ে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ। নগর পরিকল্পনাবিদ ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, দেশের বিভিন্ন শহরে এই যানবাহনের সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও সেগুলোর অধিকাংশের নেই কোনো নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ বা বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
অনেকেই অভিযোগ করছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, হঠাৎ লেন পরিবর্তন, উল্টো পথে চলাচল এবং দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত রিকশা। অন্যদিকে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল কিংবা বাণিজ্যিক যানবাহনের মালিকদের নিয়মিত রোড ট্যাক্স, ফিটনেস ও বিভিন্ন ধরনের কর দিতে হলেও এসব যানবাহনের ক্ষেত্রে তেমন কোনো বাধ্যবাধকতা কার্যকরভাবে দেখা যায় না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, এআইভিত্তিক ট্রাফিক মনিটরিং ব্যবস্থা যদি শুধুমাত্র নম্বরপ্লেটধারী যানবাহন শনাক্ত করে, তাহলে নম্বরপ্লেটবিহীন যানবাহন কি আইনের আওতার বাইরে থেকেই যাবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে হলে সব ধরনের যানবাহনকে নিবন্ধনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স প্রদান এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে গ্রামাঞ্চলে কৃষিশ্রমিক সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের দাবি, শহরমুখী সহজ আয়ের সুযোগ বাড়ায় কৃষি, মৎস্য ও নৌপরিবহনসহ ঐতিহ্যগত পেশাগুলোতে শ্রমিকের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন শহরে বাড়ছে যানজট, অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও দেখা দিচ্ছে শ্রম সংকট।
সচেতন মহলের মত, জনদুর্ভোগ কমাতে হলে প্রযুক্তির পাশাপাশি সমন্বিত নীতিমালা প্রয়োজন। ব্যাটারিচালিত রিকশাকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ না করে নিবন্ধন, লাইসেন্স, নির্ধারিত রুট ও নিরাপত্তা নীতিমালার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);