যশোরের শার্শা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বেনাপোল প্রতিনিধি সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদকে পুলিশ কর্তৃক আটকের ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি দায়ের হওয়া একটি নাশকতা মামলায় রবিবার (৭ জুন) রাতে উপজেলার জামতলা এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকাল থেকেই শার্শা থানায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা জড়ো হন।
এ সময় সাংবাদিকরা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা একজন কর্মরত সাংবাদিককে গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।
পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে যশোরের নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আরিফ হোসেন শার্শা থানায় উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার আজিজুল হক বলেন, “সাংবাদিকের হাতে হাতকড়া-এ দৃশ্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সমাজের নানা অসঙ্গতি ও অনিয়ম তুলে ধরতে সাংবাদিকরা যে হাতে কলম ধরেন, সেই হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনা সাংবাদিক সমাজের জন্য যেমন দুঃখজনক, তেমনি রাষ্ট্রের জন্যও প্রশ্নের জন্ম দেয়।”
নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশন ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের বেনাপোল প্রতিনিধি এবং বেনাপোল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বকুল মাহবুব বলেন, “বিগত সময়ে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয় দেওয়ার সাহস অধিকাংশদের ছিলনা-তখন তিনি শার্শা উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক পদে বহাল থেকেও নির্ভয়ে সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। সেখানে বর্তমান সময়ে একজন সিনিয়র সাংবাদিককে গ্রেফতারের ঘটনা স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।”
সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনাকালে এএসপি আরিফ হোসেন বলেন, “আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। সাংবাদিক আসাদের মুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।”
পরে সাংবাদিক নেতারা প্রশাসনের আশ্বাসের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টির ইতিবাচক সমাধান হবে এবং আটক সাংবাদিক দ্রুত মুক্তি পাবেন।
এদিকে একই মামলায় ও একই রাতে কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকুকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার দুপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ ও হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকুকে আদালতে পাঠানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আদালতে নেওয়ার সময় তাদের একইসাথে হাতকড়া পরানো ছিল, যা নিয়ে সাংবাদিক মহলে আরও আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে শার্শার সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);