শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে দুই গ্রামের সংঘর্ষ: ১৪৪ ধারা জারি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় পড়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস আকাশ প্রতিরক্ষার নতুন শক্তি তৈরি করল ইরান ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত গাছে উঠেছিলেন আম পাড়তে, ফিরলেন লাশ হয়ে! আমার একটা ছাওয়াল আছে, আমি খালাস চাই: সোহেল হাদি হত্যা নিয়ে জামায়াত আমিরের পিএসের সম্পৃক্ততার দাবি বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ, আজ ঘোষণা তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া অফিস ইসলামী ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান ঈদকে পুঁজি করে বালিয়াড়ি দখল, গড়ে উঠল শত শত দোকান প্রথম দিনে দেশে ফিরলেন ৬১৭৫ হাজি ১০ কোটি টাকা: অভিযোগ নিয়ে হাসনাত-প্রশাসকের ফোনালাপ ১৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’ প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪১৯ হাজি  যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঠেকাতে সুবিশাল সামরিক কমপ্লেক্স চীনের দুপুরের মধ্যে আট অঞ্চলে ঝড়ের আভাস বাংলাদেশিদের আর জামাই আদর করা হবে না: শুভেন্দু অধিকারী মুষলধারে বৃষ্টি শুরু ঢাকায়, থাকবে কত দিন ফের দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত

আকাশ প্রতিরক্ষার নতুন শক্তি তৈরি করল ইরান

সীমু দা
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6 %E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0 %E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8 %E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF %E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF %E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2 %E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8

ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, হেলিকপ্টার এবং নিম্ন-উড্ডয়নকারী বিভিন্ন আকাশীয় হুমকির দ্রুত বিস্তারের প্রেক্ষাপটে ইরান ‘আযরাখশ’ নামে একটি আধুনিক স্বল্প-পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে।

পার্সটুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করা হয় এবং পরে এটি ইরানের সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটে যুক্ত হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার তৈরি এই ব্যবস্থা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আযরাখশ মূলত একটি মোবাইল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পয়েন্ট-ডিফেন্স (Point Defense) ব্যবস্থা, যা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে স্বল্প-পাল্লার আকাশীয় হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং বিভিন্ন ধরনের ভূপ্রকৃতিতে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়। পাহাড়ি অঞ্চল, মরুভূমি কিংবা শহুরে পরিবেশ- সব ক্ষেত্রেই এই ব্যবস্থা ব্যবহারের উপযোগী।

আযরাখশের অন্যতম প্রধান শক্তি হলো এর উন্নত শনাক্তকরণ ও নজরদারি ব্যবস্থা। এতে ব্যবহৃত ৩৬০ ডিগ্রি কভারেজসম্পন্ন প্যাসিভ ফেজড-অ্যারে রাডার প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আকাশীয় লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। ফলে যেকোনো দিক থেকে আসা হুমকি দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি এতে একটি ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড ট্র্যাকিং সিস্টেম রয়েছে, যা প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু অনুসরণ করতে সক্ষম। রাডার জ্যামিং বা ইলেকট্রনিক যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও এই অপটিক্যাল ব্যবস্থা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

ব্যবস্থাটিতে চারটি প্রস্তুত-টু-ফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইনফ্রারেড নির্দেশনা প্রযুক্তিনির্ভর এবং “ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট” সক্ষমতাসম্পন্ন। অর্থাৎ, একবার উৎক্ষেপণের পর ক্ষেপণাস্ত্র নিজেই লক্ষ্যবস্তুকে অনুসরণ করে আঘাত হানতে পারে। এর ফলে অপারেটরকে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করতে হয় না এবং একই সময়ে একাধিক হুমকির মোকাবিলা করা সহজ হয়।

আযরাখশ ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ মিটার, ওজন ৭০ কেজি এবং এতে ৪.৫ কেজি ওজনের ওয়ারহেড ব্যবহৃত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটির কার্যকর পাল্লা প্রায় ১০ কিলোমিটার এবং এটি ১.৮ মাখ গতিতে উড্ডয়ন করতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য নিম্ন-উড্ডয়নকারী লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

আযরাখশের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর দূরনিয়ন্ত্রিত পরিচালনা ব্যবস্থা। ফাইবার-অপটিক সংযোগের মাধ্যমে ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে নিরাপদ দূরত্ব থেকে পুরো ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এতে অপারেটরদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায় এবং শত্রুপক্ষের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমে।

এছাড়া আযরাখশকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি অন্যান্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে। এর বুদ্ধিমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত, অনুসরণ এবং আঘাত হানার পুরো প্রক্রিয়াকে সমন্বিত করে। ফলে এটি ইরানের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কে একটি কার্যকর স্তর হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হওয়ায় আযরাখশের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম। একই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস পাওয়ায় এটি ইরানের সামরিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আধুনিক রাডার, উন্নত ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা এবং উচ্চ গতিশীলতার সমন্বয়ে আযরাখশকে ইরানের স্বল্প-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।



সাজু/নিএ

!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,

fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By