ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’ বিলুপ্ত করা এবং আগাম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের একটি প্রাথমিক বিল পাস হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা জানান, বিলটির পক্ষে ১১০ জন আইনপ্রণেতা ভোট দিয়েছেন এবং এর বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। তবে একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত জরুরি বৈঠকের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটির সময় নেসেট অধিবেশনে অনুপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
এই বিলটি অনুমোদনের মাধ্যমে ইসরায়েলে আগাম নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হলেও এটি চূড়ান্ত আইনে পরিণত হওয়ার আগে আরও অধিকতর পর্যালোচনার প্রয়োজন হবে। দেশটিতে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২২ সালের মে মাসে। সেই অনুযায়ী, বর্তমান সংবিধান অনুসারে আগামী নির্বাচন চলতি ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এই বিল পাসের পর এখন আগাম নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হলে আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে; অন্যথায় পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী অক্টোবরেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
নেসেট বিলুপ্তির এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে সামনে এসেছে ক্ষমতাসীন জোটের কট্টরপন্থি ইহুদি দলগুলোর আকস্মিক দাবি। ঐতিহাসিকভাবে এসব দল লিকুদ পার্টি এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে পরিচিত হলেও চলতি মাসে তারা অবস্থান পরিবর্তন করেছে। দলগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নেতানিয়াহুকে তারা আর জোট শরিক হিসেবে দেখতে ইচ্ছুক নয় এবং তারা এখন সরাসরি আগাম নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে সাম্প্রতিক একাধিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ পার্টির ওপর থেকে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশই শুধু নয়, বরং খোদ জোটসঙ্গী দলগুলোও আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে কিংবা আগাম, যেভাবেই নির্বাচন হোক না কেন, নেতানিয়াহু ও লিকুদ পার্টির জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। তবে এই মুহূর্তে সরকারের পতন হলে আসন্ন নির্বাচনের আগে নতুন আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা অত্যন্ত জটিল হবে; মূলত এই কারণেই আস্থা হারানোর পরও কট্টরপন্থি দলগুলো এখনই লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে না।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);