অব্যবহৃত মোবাইল ইন্টারনেট ডেটার মেয়াদ নিয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ নিরসনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর পক্ষে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকের ব্যবহার চাহিদা ও প্যাটার্ন ভিন্ন হওয়ায় অপারেটররা বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ তৈরি করে থাকে। এর ফলে মেয়াদভিত্তিক ডেটা প্যাকেজ ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।
তিনি জানান, অব্যবহৃত ডেটা মেয়াদ শেষে বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় এ সমস্যা সমাধানে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজে মেয়াদ নির্ধারণ শুধু ব্যবসায়িক নয়, এর সঙ্গে টেকনিক্যাল, অর্থনৈতিক ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার বিষয়ও জড়িত। বিশ্বজুড়েই মেয়াদভিত্তিক ডেটা প্যাকেজ প্রচলিত রয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশনায় কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ পুনরায় কিনলে বা অটো রিনিউ করলে অব্যবহৃত ডেটা ক্যারি ফরওয়ার্ড করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি (১০ বছর মেয়াদি) ডেটা প্যাকেজও চালু আছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় ইন্টারনেট সেবার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিটিআরসি ইতোমধ্যে কোয়ালিটি অব সার্ভিস নির্দেশনা জারি করেছে এবং নিয়মিত ড্রাইভ টেস্টের মাধ্যমে সেবার মান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, দেশে ফাইভজি সেবার বিস্তারও চলমান রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থানে সীমিত পরিসরে ফাইভজি সেবা চালু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);