ফুটবল বিশ্বকাপের মহারণ শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকছে না, গ্যালারিতেও থাকছে বিশ্বরাজনীতির দুই আলোচিত মুখ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি—দুজনই উপস্থিত থাকবেন বিশ্বকাপের ফাইনালে। তবে চূড়ান্ত ম্যাচে তারা কোন দলকে সমর্থন করবেন, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আলোচনার বিষয়।
রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। রাজনৈতিক মতাদর্শে বিপরীত অবস্থানে থাকা ট্রাম্প ও মামদানির আলাদা কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা না থাকলেও একই ম্যাচে তাদের উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
এর আগে গত মাসে এনবিএ ফাইনালেও একই ভেন্যুতে উপস্থিত ছিলেন এই দুই নেতা। সেবার ট্রাম্প ভিআইপি বক্সে বসে খেলা উপভোগ করলেও মামদানি সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে গ্যালারিতে ছিলেন। এবারও বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে তাদের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগেই নিশ্চিত করেছেন, ফাইনাল শেষে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প অংশ নেবেন। ফলে বিশ্বকাপের শিরোপা উৎসবেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে।
ফাইনালের আগে ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সম্প্রতি তিনি লিওনেল মেসির প্রশংসা করেছেন এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে জানতে চেয়েছেন, দলটি আবারও ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত কি না। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তিনি আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন—কোন দলের সমর্থক হিসেবে মাঠে থাকবেন।
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি নিজেকে দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবলপ্রেমী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন। তিনি ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালের সমর্থক এবং বিশ্বকাপ চলাকালে সাধারণ দর্শকদের জন্য বিভিন্ন ওয়াচ পার্টিরও আয়োজন করেছেন।
তবে তার প্রিয় দল মরক্কো আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। ফাইনালে কাকে সমর্থন করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে তিনি বলেছেন, “আমি যাকে সমর্থন করি, সেই দলই হেরে যায়। তাই এবার কারও নাম বলতে চাই না।”
বিশ্বকাপ ফাইনালে ট্রাম্পসহ একাধিক বিশ্বনেতার উপস্থিতির কারণে ম্যাচটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ ‘লেভেল ওয়ান স্পেশাল ইভেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আকাশপথ নজরদারি, বিশেষ গোয়েন্দা দল এবং বিস্ফোরক শনাক্তকারী ইউনিটসহ বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত এই ম্যাচে তাই শুধু আর্জেন্টিনা ও স্পেনের লড়াই নয়, গ্যালারিতেও থাকবে বিশ্বরাজনীতির দুই আলোচিত ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি। ফলে মাঠের ফুটবলের পাশাপাশি দর্শকদের নজর থাকবে ট্রাম্প ও মামদানির দিকেও।
উল্লেখ্য, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে:
তারিখ: ১৯ জুলাই ২০২৬ (রবিবার)
বাংলাদেশ সময়: ২০ জুলাই (সোমবার) রাত ১:০০টা
ভেন্যু: নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়াম (সাবেক মেটলাইফ স্টেডিয়াম), ইস্ট রাদারফোর্ড, নিউ জার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।
বাপ্পি/সা.এ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);