জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে গড়ে ওঠা রাধানগর সানসেট পয়েন্ট এখন স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। যমুনার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ।
তবে পর্যটকদের অভিযোগ, আকর্ষণীয় ক্যাটালগ দেখিয়ে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের কারণে তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সানসেট পয়েন্টের কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকানে কম্পিউটারে তৈরি আকর্ষণীয় খাবারের ছবি দেখিয়ে অর্ডার নেওয়া হলেও পরিবেশন করা হয় মানহীন খাবার। অথচ এর জন্য গুনতে হয় তুলনামূলক বেশি মূল্য।
বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার দর্শনার্থীর চাপ বাড়লে খাবারের মান আরও নিম্নমুখী হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক সময় ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলেও দাবি করেছেন কয়েকজন দর্শনার্থী।
দর্শনার্থী জাহাঙ্গীর আলম, শাহীন আলম সরকার, লাকী আক্তার ও স্বপন আকন্দ বলেন, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে ক্যাটালগ দেখে যে খাবারের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, পরিবেশন করা হয়েছে তার সঙ্গে মিল নেই। খাবারের মান ছিল নিম্নমানের, অথচ মূল্য নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি।
শিক্ষার্থী সানজিদা ছোলাইমান আওকী ও সাদিয়া ছোলাইমান রেইকীর অভিযোগ, ক্যাটালগে আকর্ষণীয় জুসের ছবি দেখিয়ে যে পানীয় পরিবেশন করা হয়েছে, তাতে লেবুর স্বাদও ছিল না। বরফ ও বিট লবণ মিশিয়ে সাধারণ মানের পানীয় পরিবেশন করা হলেও দাম নেওয়া হয়েছে বেশি।
ঔষধ ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম শান্ত, আনিছুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন ও আবুল হোসেনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, ফুচকা, চটপটি ও অন্যান্য ফাস্টফুডের মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং স্বাদহীন। অভিযোগ জানাতে গেলে অনেক সময় বিক্রেতারা গুরুত্ব দেন না; বরং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ফলে অনেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চুপ থাকেন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, যমুনা নদীতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই একটি ভাসমান রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না থাকায় সেখানে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ভুক্তভোগী দর্শনার্থীরা পর্যটন সম্ভাবনাময় এ স্থানটির সুনাম রক্ষায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাবারের মান ও মূল্য তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);