নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শিকারপুর, বাহাদুরপাড়া, সাহাপুর, কালীনগর, বিলকাঠোর, চরপিপলাসহ অন্তত আটটি গ্রামকে বিভক্ত করেছে গুমানী নদী। এ কারণে নদীর উত্তরপাড়ের দুটি রাস্তা দীর্ঘকাল ধরে পাকা হয়নি। বর্ষায় কাদাজলে একাকার হয়ে থাকা এ রাস্তাদুটি কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের দূর্ভোগের কারণ। খেতের ফসল ঘরে তুলতে অবর্ননীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সম্প্রতি দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন সাহাপুর হয়ে আলিয়া মাদ্রাসা পাড়ঘাটের মওলানা আব্দুল বারীর বাড়ি পর্যন্ত ১ হাজার ৭৭০ মিটার এবং চরপিপলা থেকে বিলকাঠোর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার রাস্তা দুটি পাকাকরনের কার্যাদেশ জারি করেন।
এদিকে রাস্তা দুটি পাকাকরনের কার্যাদেশ পর্যন্ত তদবির করতে উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ছিলেন অগ্রনায়ক। দুর্ভোগ তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দৃষ্টিগোচর করতে আজাদ অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মশিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষনা দিলে প্রতিপক্ষরা তার নামে চাঁদা আদায়ের মিথ্যাচার করছেন।
রবিবার (১৯ জুলাই) ওই মিথ্যাচারের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আবুল কালাম আজাদ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সুপার আব্দুর রহমান, ওয়াজেদ আলী, সাইফুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন, ব্যাংক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, আরিফ মন্ডল, জামাল উদ্দিন মন্ডল, চিকিৎসক আবু সাইদ প্রমুখ।
বক্তারা দাবী করেন, বাহাদুরপাড়া সমাজ কল্যান নামে এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে। রাস্তাটি নির্মাণ হওয়ার খুশিতে সংগঠনটির সদস্যরা স্বেচ্ছায় কিছু অর্থ উত্তোলন করেন। ওই অর্থ রাস্তার উদ্বোধনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বার্থে খরচ করবেন এলাকাবাসী। কিন্তু বিষয়টি ভিন্নখাতে নিয়ে চাঁদা আদায়ের মিথ্যাচার করা হয়। অর্থ সংগ্রহের সাথে আবুল কালামের সংশ্লিষ্ঠতা নেই।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, জনস্বার্থে তিনি স্বেচ্ছায় বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে প্রকল্পটি অনুমোদন করিয়েছেন। এজন্য তিনি কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
বাপ্পি/সা.এ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);