টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা দিয়ে ইজারা নেওয়া কাইতলার পশুর হাট পাশ্ববর্তী সখিপুর থানার দেওদিঘী হাটের কারণে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে দেওদিঘী হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ বল প্রয়োগের মাধ্যমে পশু ব্যবসায়ীদের পথরোধ করে কাইতলা হাটে যেতে বাধা দিচ্ছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) সরজমিন দেওদিগী হাটের সামনের রাস্তায় গিয়ে দেখা যায় ওই হাট কর্তৃপক্ষের ভাড়া করার লোকজন পশুবাহী ট্রাক থামিয়ে ব্যবসায়ীদের তাদের হাটে গরু নামাতে বাধ্য করছেন। এনিয়ে পশু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের বাকবিত-া ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পাশ্ববর্তী সখিপুর থানাধীন দেওদিঘী হাট বাঁশ ক্রয় বিক্রয়ের হাট হিসেবে পরিচিত। ৩ লাখ ১০ হাজার টাকায় এবার হাটটি ইজারা নেন শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু বাঁশ ক্রয় বিক্রয়ের হাট হলেও সেখানে তিনি পশু ক্রয় বিক্রয় শুরু করেন।এতে করে পাশ্ববর্তী মির্জাপুর উপজেলার প্রায় ৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাটটি চরম হুমকিতে পড়েছে। হাটটির ইজারা মূল্য ৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে পশুবাহী ট্রাক আটকের ঘটনায় কাইতলা হাটটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এনিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন কাইতলা হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে ইতোপূর্বে সরকারি উচ্চ পর্যায়ে একাধিক অভিযোগ করেও কার্যত কিছু হচ্ছেনা। সমস্যা এড়াতে কাইতলা হাটের ইজারাদার ওই হাটটি যেন শনিবার না হয়ে শুক্রবার হয় এই মর্মে আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। কাজ হয়নি তাতেও। উচ্চ আদালত দেওদিঘী হাটটি শনিবার হতে পারে মর্মে রায় দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এনিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান। যেকোন মূহুর্তে এই হাট কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
কাইতলা হাটের ইজারাদার আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান বলেন, দেওদিঘী হাটের লোকজন অন্যায়ভাবে ব্যবসায়ীদের আটকে রেখে আমার হাটের ক্ষতি করছেন। এটা শুধু আমার ক্ষতি নয় এটা সরকারের রাজস্ব আদায়ের অন্যতম খাতের একটি বড়ধরনের ক্ষতি। এমনটি হলে আগামীতে কেউ আর এই হাট ইজারা নিবেনা।
একাধিক পশু ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, কিছু লোকজন জোর করে তাদের গাড়ি আটকে দিচ্ছে। তারা তাদেরকে দেওদিঘী হাটে পশু নামাতে বাধ্য করছেন। কিন্তু ওই হাটে পশু বেচাকেনা কম হওয়ায় আমরা প্রত্যেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।
দেওদিঘী হাটের ইজারাদার শফিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঘটনাস্থলে নৈরাজ্য সৃষ্টির ভিডিও ফুটেজ থাকা স্বত্ত্বেও অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
সখিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছি। কাউকে অন্যায়ভাবে পথরোধ করে অন্য হাটের ক্ষতি করতে দেয়া হবেনা।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবিব বলেন, বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে আজকের ঘটনা বিষয়ে আমি কোনকিছু অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);