কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। দীর্ঘদিন পর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের সতিপুরী মৌজায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ক্ষুদ্র পানি প্রকৌশল প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩০ বছর আগে একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধের ভেতরের পানি নিষ্কাশনের জন্য বাঁধটির পশ্চিম অংশে একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল।
সম্প্রতি কালভার্টের মুখে মাটি ভরাট করে জমির মালিক দুই ভাই সোনাউল্লাহ ও আমানউল্লাহ দুটি বাড়ি নির্মাণ করেন। এর ফলে বাঁধের ভেতরে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে প্রায় ১ হাজার একর আবাদি জমি ও গ্রামে যাতায়াতের রাস্তা তলিয়ে যায়।
শুধু তাই নয়, চারটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পানি উঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
এ ব্যাপারে এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সমাধানের জন্য কয়েক দফা আবেদন জানায়। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি সমাধানের জন্য কয়েক দফা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মন্ডল, সদস্য সচিব প্রভাষক শহিদুল ইসলাম আকন্দ, যুগ্ম সম্পাদক মোকলেছুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ ইউনিয়ন ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান করেন।
উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের সম্মতিতে পানি নিষ্কাশনের জন্য ঘরের পাশ দিয়ে ৫টি পাইপ বসানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বার, ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সমস্যা সমাধান হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মন্ডল জানান, ঘটনার সমাধান হওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল জলাবদ্ধতার সমাধান করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, ঘটনাটির মীমাংসা হওয়ায় দীর্ঘদিনের জটিলতার সমাপ্তি হলো। তিনি ইউপি চেয়ারম্যানকে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);