বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিএফএফ)। একই সঙ্গে হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, দেশের প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো ফুটবলার বা তাদের পরিবারের সদস্যদের এ ধরনের হুমকি ও হয়রানির শিকার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্যাম্পাজ ও তার পরিবারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তারা ক্রীড়াঙ্গনে নিরাপত্তা, সম্মান ও সহনশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় কলম্বিয়া। অতিরিক্ত সময়ে নিশ্চিত গোলের একটি সুযোগ নষ্ট করেন আর্জেন্টিনার ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলা ক্যাম্পাজ। তার নেওয়া শট পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। যদিও টাইব্রেকারে নিজের শট সফলভাবে জালে পাঠান তিনি, তবু শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি কলম্বিয়া।
সমালোচনা ও হুমকির মুখে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন ক্যাম্পাজ, যেখানে হতাশায় মুখ ঢেকে থাকতে দেখা যায় তাকে। সেই পোস্টে সবাইকে সংযম ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান এই মিডফিল্ডার।
তিনি লেখেন, ‘ফুটবলে কঠিন সময় আসবেই। আমার প্রিয় কলম্বিয়া, দয়া করে কখনো শ্রদ্ধাবোধ হারাবেন না। আমাদের মতের অমিল থাকতে পারে, আমরা হতাশ বা কষ্টও পেতে পারি। কিন্তু কোনো আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা কাউকে ভয়ের মধ্যে বাঁচতে বাধ্য করার বৈধতা দেয় না।’
ঘটনার পর কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রতি দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান ও আশার প্রতীক—ঘৃণা, ভয়ভীতি কিংবা সহিংসতার নয়। সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফেডারেশন বলেছে, খেলার হতাশা যেন কখনো বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ না নেয়।
ক্যাম্পাজকে ঘিরে এই ঘটনা কলম্বিয়ার ফুটবল ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে আত্মঘাতী গোল করেছিলেন ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার। সেই ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় কলম্বিয়া। দেশে ফেরার মাত্র কয়েকদিন পর মেদেলিনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়—যা আজও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম মর্মান্তিক ঘটনা হিসেবে স্মরণ করা হয়।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);