স্কোরকার্ডটা ২-১ নয়, ভিন্ন কিছু হতে পারত। ম্যাচের ১৪ মিনিটে যদি ব্রুনো গিমারাইস পেনাল্টিতে গোল করতে পারতেন। নিউক্যাসলের মিডফিল্ডার সফল স্পটকিক নিলে হয়তো হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ত ব্রাজিল।
‘নায়ক’ হওয়ার বিপরীতে তাই এখন ‘খলনায়ক’ গিমারাইস। নরওয়ের কাছে সেলেসাওরা হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ায় তাই প্রশ্ন উঠেছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র থাকতে কেন গিমারাইস স্পটকিক নিলেন। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে বেশ আলোচনাও হচ্ছে।
তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। ম্যাচ শেষে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। স্পটকিক কারা নিবেন সেটার একটা তালিকা করেছিল ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ। সেই তালিকায় শীর্ষ ৫ জনের মধ্যে নেই ভিনিসিয়ুস।
মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই তালিকায় এগিয়ে ছিলেন গিমারাইস। আনচেলত্তির কণ্ঠে সেটাই ফুটে উঠেছে। ব্রাজিলের সহকারি কোচ বলেছেন, ‘আমাদের পেনাল্টির তালিকায় সবচেয়ে সেরা ছিল রাফিনিয়া। অ্যাভেইলএবল খেলোয়াড়দের মধ্যে সেরা ছিল নেইমার। এরপর ইগর থিয়াগো, গিমারাইস এবং গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি। এ কারণেই গিমারাইসকে নির্বাচন করা হয়েছে। আর আমরা ভেবেছিলাম মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই সেরা।’
অর্থাৎ, পেনাল্টি তালিকার ছয়ে তার পরে ছিলেন ভিনিসিয়ুস। তালিকায় না থাকলেও পেনাল্টির আগে বল হাতে নিতে দেখা যায় রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গারকে। তবে ম্যাচে কারা পেনাল্টি মারবেন তা আগেই ঠিক করায় পরে গিমারাইসকে বল দিতে বাধ্য হন ভিনিসিয়ুস।
মাঠ ছাড়ার সময় আনচেলত্তির সুরে কথা বলেছেন ব্রাজিলের সহকারী কোচ ডেভিড আনচেলত্তিও। মিক্সড জোন দিয়ে বের হওয়ার সময় কার্লোর ছেলে ডেভিড বলেছেন, ‘গিমারাইস পেনাল্টি মারবে এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ফুটবলে পেনাল্টি মিস হতেই পারে। আজ তাই ঘটেছে।’
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);