মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত বেড়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তবে গত মাসে দুই দেশের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি (সিজফায়ার) এখন আর কার্যকর নেই বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) রয়টার্স-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আমাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে চেয়েছে। আমরা এতে সম্মত হয়েছি। তবে আমরা স্পষ্ট করে জানিয়েছি, যুদ্ধবিরতি শেষ।”
তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো অনুরোধ তারা করেনি। বরং কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের স্বাগত জানাতে সম্মত হয়েছে ইরান।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার কাতারের প্রতিনিধিরা তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে।
এদিকে ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, তাকে হত্যার চেষ্টা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ সামরিক জবাব দেবে।
তিনি বলেন, “ইরানের দিকে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে আরও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হবে।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেয়েছে এবং প্রয়োজনে এক বছরের মধ্যে ইরানের সব অঞ্চল ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে নিশ্চিত করতে হবে যে প্রণালির সব নৌপথ উন্মুক্ত থাকবে এবং সেখানে কোনো ধরনের বাধা বা অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করা হবে না।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শনিবার ওমানে পৌঁছেছেন। সেখানে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করার বিষয়সহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি পূর্বের কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তাহলে তার ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত মাসে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতার মাধ্যমে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। এর প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে; কয়েক সপ্তাহের স্থিতিশীলতার পর চলতি সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের দাম গত আট সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);