জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। খালাস পাওয়া একমাত্র আসামি হলেন ইজিবাইক চালক ইদ্রিস আলী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে শেরপুর জেলার চকপাঠক গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ শেরপুরের ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জের জানকিপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। পথে ইজিবাইকটি থামিয়ে তাকে একটি ভ্যানে তুলে নেয় আসামিরা।
পরে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়া এলাকায় ফরিদ নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে তাকে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর আসামিরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
পরদিন ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। বিচারিক কার্যক্রমে মোট নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);