ইরানের সেনাবাহিনী ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আঙুল ট্রিগারে রেখে যেকোনো আগ্রাসী ও অপরাধমূলক শত্রুর কর্মকাণ্ডের শক্তিশালী জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনী দিবসকে সামনে রেখে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসলামী বিপ্লবের প্রাথমিক মাসগুলোতে অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ও বিদেশি শত্রুদের ‘সেনাবাহিনী বিলুপ্তি’র ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটে মহান বিপ্লবের স্থপতি হজরত ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর ঐতিহাসিক ও ভাগ্যনির্ধারণী নির্দেশে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের নিরাপত্তা ও শক্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে নিজ অবস্থান সুসংহত করে। গত ৪৭ বছরে বিপ্লবী চেতনা, ৮ বছরের পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধের মূল্যবান অভিজ্ঞতা এবং দেশীয় জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এটি “জাতির অটুট দুর্গ” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ইসলামী বিপ্লব ও ইরানের জনগণের ঐতিহাসিক স্মৃতি সাক্ষ্য দেয় যে, দেশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর উজ্জ্বল ও গৌরবময় ভূমিকা এবং অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সাথে—বিশেষ করে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাথে—ঐক্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজন পূরণে তাদের কার্যক্রমকে ইরানিদের “শক্তিশালী বাহু” হিসেবে গণ্য করা হয়; এগুলো ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আধুনিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা বিপ্লবের শহীদ নেতার প্রজ্ঞাপূর্ণ চিন্তা, নেতৃত্ব এবং বিজ্ঞ দিকনির্দেশনায় বাস্তবায়িত হয়েছে।
সূত্র- পার্সটুডে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);