বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বিদেশে পাচার হওয়া প্রায় ৩.৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এই অর্থ মূলত এমটিএফই (মেটাভার্স বৈদেশিক মুদ্রা) প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান রোববার জানান, বহুল আলোচিত এই প্রতারণা মামলার মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ উদ্ধার করে দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।”
জসীম উদ্দীন খান আরও জানান, এই প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাঠানো হয়েছিল, যা দীর্ঘদিন ধরে সিআইডি তদন্তের বিষয় ছিল। “এ পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে এবং এটি দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে,” তিনি উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাচারকৃত অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারের জন্য তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ব্যাংকিং চ্যানেলসমূহের সহায়তায় বাকি অর্থও শীঘ্রই দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিআইডি কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের প্রতারণার ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে হবে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);