ধর্মের ভিত্তিতে কে কোন মতের কে কোন পথের এ মতবাদ তুলে কাউকে বিভক্তি করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ -২(দিরাই-শাল্লা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনিত ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
তিনি আরও বলেন, আজ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই ও বোনেরা যারা আছেন সংখ্যা লঘু শব্দটি ব্যবহার করবেন না,আপনারাও এ দেশের মালিক,এ জমিন আমার,এ জমিন আমাদের।
সোমবার(৯ ফেব্রুয়ারি) সুনামগঞ্জ ২(দিরাই -শাল্লা) আসনের দিরাই উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ঐক্য ও সম্প্রীতির ব্যানারে দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে আয়োজিত শেষ নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও জানান,রাজনীতি সংস্কৃতি শিক্ষায় যারা অবদান রেখেছেন সেই গুণীজন দের অবদান কে অস্বীকার করে দেশ ও সমাজ এগিয়ে নেয়া যায়না আর আজকের সমাবেশ প্রমান করে দিরাই শাল্লার মানুষ ঐক্য বদ্ধ সমাজ চায়।
তিনি আরও বলেন,যারা হিন্দু মুসলমানকে বিভক্ত করতে চান তারা আসলে দেশ ও সমাজকে ধ্বংস করতে চান। যারা ধর্মের ভিত্তিতে কওমি,আলীয়া, মসজিদ মন্দিরে বিভক্তি করতে চায় তারা দেশকে পিছিয়ে রাখতে চায়,যারা হিন্দু মুসলমানকে বিভক্ত করতে চান তারা আসলে দেশ ও সমাজকে ধ্বংস করতে চান।
তিনি জানান,নির্বাচনে আমি পাস ফেইল যাই করি ৬ মাসের মধ্যে দিরাই শাল্লার কোন এক উপযুক্ত জায়গায় প্রতিবন্ধী হাসপাতাল করবেন,ইতিমধ্যে জমির মালীকের সাথে আলাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রতিপক্ষ বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,তারা যে গালাগালি ও সমালোচনার করছেন তাদের কোন প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে চাইনা,আমি বাধ্য না। কে নতুনত্ব বেশি নিয়ে আসে আর আসতে পারবে নতুন প্রজন্ম তা দেখতে চায় দেশে পঁচা রাজনীতি দেখতে চায়না।আমি যদি কারও সুখে দুখে পাশে থাকতে পারি এটাই আমার সফলতা।
জামায়েতর উপজেলা আমীর আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রেজাউল ইসলামের পরিচালনায়,আরও বক্তব্য রাখেন,খেলাফত মজলিসের মাওলানা নুর উদ্দিন আহমেদ, শিশির মনিরের সহধর্মিণী সুমাইয়া সাদিয়া রায়হান,মুক্তিযোদ্ধা নলীনি কান্ত দাস, শিক্ষক পলিন দাস, খেলাফত মজলিসের হারুন অর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লা আল নোমান, মোফাজ্জল হোসেন জুয়েল, ডাকসুর সদস্য শাহিন এবং প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন।
সকাল থেকেই দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতশত লোকজন মিছিল সহকারে সমাবেশে যোগ দেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);