সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারি। সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন করেন।
পোস্টে ড. আজহারি জানান, সম্প্রতি একটি কুচক্রী প্রতারকচক্র তার ছবি, ভিডিও এমনকি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা (ভয়েস ক্লোন) কণ্ঠ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল প্রতারণায় লিপ্ত রয়েছে। এসবের মাধ্যমে ভুয়া পণ্য প্রচারণা, তথাকথিত চিকিৎসা সেবা এবং বিশেষ করে ওষুধজাত পণ্যের অবৈজ্ঞানিক ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগত নন—এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ভাই-বোন এসব কনটেন্ট দেখে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে তার ব্যক্তি ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এছাড়া এসব ভুয়া পণ্য ও ওষুধ সংক্রান্ত কারণে হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল নম্বরে প্রতিনিয়ত ফোনকল আসছে, যা ফাউন্ডেশনের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।
ড. আজহারি স্পষ্ট করে জানান, এসব প্রচারণার সঙ্গে তার কিংবা হাসানাহ ফাউন্ডেশনের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তার নাম বা পরিচয় ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিক্রির চেষ্টা সম্পূর্ণ ভুয়া, অনৈতিক ও প্রতারণামূলক।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতারক মিডিয়া ও পেজগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা শিগগিরই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হবে। দ্রুত এসব কনটেন্ট অপসারণ না করা হলে, দেশ বা দেশের বাইরে যেখান থেকেই এ অপরাধ সংঘটিত হোক না কেন—জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ড. আজহারি জানান, তারা এমন কঠোর পদক্ষেপ নিতে চান না, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এটি এখন অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতারকচক্রের প্রতি এটি তাদের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা।
সবশেষে তিনি বলেন, যারা এ ধরনের নিন্দনীয় কাজে জড়িত, তারা যেন অবিলম্বে এসব অপকর্ম থেকে বিরত থাকে। আল্লাহ যেন তাদের মেধা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে হালাল ও কল্যাণকর কাজে ব্যবহারের তাওফিক দেন। একই সঙ্গে তিনি শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানান—কোনো বিজ্ঞাপন বা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হওয়ার আগে অবশ্যই তাদের অফিসিয়াল সোর্স থেকে সত্যতা যাচাই করে নিতে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);