দেশে গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে আরও অনেক কারখানা আর্থিক ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ উদ্বেগের কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর একটি লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের শীর্ষ রপ্তানি আয় অর্জনকারী তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে একটি সংকটময় সময় পার করছে। বিগত তিন বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
সংগঠনটির মতে, শিল্পের বর্তমান স্থবিরতা ও মন্থর গতির পেছনে দুটি প্রধান কাঠামোগত কারণ রয়েছে—ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় এবং উপযুক্ত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের অভাব।
এছাড়া নীতি স্থিতিশীলতার ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে খাতটি পিছিয়ে পড়ছে বলেও উল্লেখ করা হয়। অর্থায়ন ও লজিস্টিক ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতিও শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবুসহ পোশাক খাতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন বাজেটে এই সংকট উত্তরণে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ ও নীতি সহায়তার দাবি জানান।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);