ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো ১৪ দফা প্রস্তাবের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে। তেহরান থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য হলো চলমান সংঘাত বন্ধ করা এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানো। তবে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী ধাপের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, প্রস্তাবটি দুটি ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে একটি সমঝোতা প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে, যেখানে চুক্তির বাস্তবায়ন এবং বাকি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা প্রসঙ্গে ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান নিজের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই গ্যারান্টি প্রদান করবে। বিশেষ করে হরমজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণকে দেশটি তার অন্যতম প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।
প্রস্তাবে উল্লিখিত ৩০ দিনের সময়সীমা নিয়ে ওঠা গুঞ্জনও নাকচ করে দিয়েছে ইরান। মুখপাত্র স্পষ্ট করেছেন, এটি কোনো চরম সময়সীমা (ডেডলাইন) নয়। ইরান কোনো চাপের মুখে বা আলটিমেটাম মেনে নিয়ে আলোচনা করছে না। এই সময়সীমাটি মূলত আলোচনার একটি ধারাবাহিক পর্যায় মাত্র।
সামগ্রিকভাবে, ইরানের এই প্রস্তাবের মূল ফোকাস হলো যুদ্ধ বন্ধ করা এবং জটিল বিষয়গুলো ভবিষ্যতের জন্য তুলে রেখে নিজেদের শক্তির অবস্থান থেকে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।
সূত্র: আল-জাজিরা
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);