কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটক মোহাম্মদ আবীরের (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ৬টার দিকে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্টে তার মরদেহ ভেসে উঠে। এর আগে, রোববার দুপুরে সৈকতের সি-গাল পয়েন্ট এলাকায় গোসলে নেমে নিখোঁজ হন আবীর।
সমুদ্র সৈকতে দায়িত্বরত সি সেইফ লাইফ গার্ডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আবীর ঢাকার লালবাগ থানার শহীদনগর এলাকার ইলিয়াছ মুন্সির ছেলে। তিনি ঢাকার নিউমার্কেট এলাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী।
আবীরের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা বন্ধু মোহাম্মদ ইমন সাংবাদিকদের জানান, রোববার সকালে তারা নয় বন্ধু ঢাকা থেকে কক্সবাজারে এসে সি ল্যান্ড গেস্ট হাউজ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নামেন।
তিনি বলেন, ‘রোববার সকালে আমরা ৯ বন্ধু ঢাকা থেকে কক্সবাজারে এসে একটি আবাসিক হোটেলে উঠি। পরে সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নামলে একপর্যায়ে আবীরের হাত থেকে লাইফ টিউবটি ঢেউয়ের তোড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে টেনে আনার চেষ্টা করলেও পারেনি। পরে প্রবল ঢেউয়ে আবীর সাগরে ভেসে যায়। এরপর আমরা আশপাশের এলাকায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। কিন্তু আবীরের কোনো সন্ধান পাইনি। পরে লাইফগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে বিষয়টি জানাই।’
এদিকে ঘটনার পরপরই লাইফগার্ড কর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে।
লাইফ গার্ড কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান জানান, নিখোঁজের পর থেকেই ওই পর্যটককে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। ভোর পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। আজ সকালে সৈকতের সমিতি পাড়ার কুতুব বাজার পয়েন্টের বালিয়াড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাদের খবর দেন।
ওসমান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর সৈকতকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ড সদস্যদের নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);