সরকারবিরোধী মিছিল করার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ যুবলীগের ব্যানারে রাতের আঁধারে সাবেক মন্ত্রী ও ৫ এমপিসহ আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮০ থেকে ১০০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে বৃহস্পতিবার একটি মামলা করেছেন কোতোয়ালি থানার এসআই আশরাফ উদ্দিন।
এ মামলার আসামিরা হলেন: যশোর- ৬ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, যশোর-৪ আসনের সাবেক এমপি রণজিৎ রায়, যশোর-৫ আসনের সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, যশোর-২ আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, যশোর-৩ আসনের সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৫ আসনের সাবেক এমপি ইয়াকুব আলী, যশোর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম ফন্টু চাকলাদার, যশোর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম রেন্টু চাকলাদার, যুবলীগের সাবেক নেতা শহীদুজ্জামান বাবু ওরফে দাতাল বাবু, শেখ আতিকুর রহমান বাবু ওরফে জার্মান বাবু, যশোর শহরের পুরাতনকসবা কাজীপাড়ার ইয়াকুব আলীর ছেলে ফাহিম মোল্লা, রণজিৎ রায়ের ছেলে রাজীব রায়, সাবেক মন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের ছেলে শুভ ভট্টাচার্য, যুবলীগ নেতা মাহমুদ হাসান বিপু, জাহিদুল ইসলাম লাবু, কামাল হোসেন পর্বত, মনি, তৌফিক, সোহান, লোকমানের ছেলে বাবলু, মৃত কিবরিয়ার ছেলে ওয়াসেল, মৃত কাটোর ছেলে রবি, মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর, মাসুদের ছেলে আব্দুল্লাহ, সুজন, পট্টি, নুরুল আলমের ছেলে শরিফুল আলম সুজন, আইজুলের ছেলে চয়ন, শাওন, মুন্সি বাবুর ছেলে সবুজ, আরিফ আহাদুল, বজলু খলিফার ছেলে শাহাদত, মৃত খালেকের ছেলে আমিরুল, মৃত হারুনের ছেলে শহীদ, মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ডাবলু, সরোয়ারের ছেলে মিলন, মন্টুর ছেলে রিমন, বেজপাড়ার বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা মোহিত কুমার নাথ, তার ছেলে রতি নাথ এবং ষষ্ঠীতলা পাড়ার সৈয়দ আহমেদের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাবু।
এসআই আশরাফ উদ্দিন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পাশের রাস্তা আজিজ সিটি রোডে একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। মোমবাতি ও হারিকেন জ্বালিয়ে আশি থেকে ১০০ জন নেতাকর্মী সরকারবিরোধী নানা ধরনের স্লোগান দেয়। সংবাদ পেয়ে তিনি সেখানে গেলে পুলিশ দেখে আসামিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এদের মধ্যে প্রথম ১৩ জন এই নিষিদ্ধ সংগঠনের গডফাদার ও অর্থ যোগানদাতা। বাকি ২৭ জন নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, সন্ত্রাসী এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়ায়। তারা এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চেষ্টা করছে। তারা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারা ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুবলীগের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিল করার অপরাধে গত ২৯ এপ্রিল রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয়জনকে আটক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);