বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তারা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে কথা বলেন এবং নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় ছোনকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ ও পরিচালনা পর্ষদের নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়ে আসছিল। এসব প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই আজকের এই ঝটিকা পরিদর্শন।
বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ে শেরপুর-ধুনট নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য গোলাম মো. সিরাজ এবং শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। পরিদর্শনকালে তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন। দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের ক্যাশ বই, রেজুলেশন খাতা ও অন্যান্য প্রশাসনিক নথিপত্র যাচাই-বাছাই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরণের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাই করতেই আমরা আজ এখানে এসেছি। তদন্তে যদি কোনো দুর্নীতির প্রমাণ মেলে, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, আমরা অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে দেখছি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুতই জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অস্থিরতার পর প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্ট সকলে।
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);