শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে হামলার ঘটনায় নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মারধর, ভাঙচুর ও নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটপাটের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) সুকান্ত কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে একই এলাকার রতন খানের সঙ্গে ভুক্তভোগী রওশনা বেগমের দীর্ঘদিনের বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। গত ২১ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে তাকে বিঝারী বাজারে ডাকা হয়। তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী রওশনা বেগম (৬০) জানান, প্রথম দফার হামলায় তার দেবর কবির মুন্সি (৫০), নজির ছৈয়াল (৭০) ও শান্ত ছৈয়ালসহ কয়েকজন আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইফাত খান লোহার রড দিয়ে কবির মুন্সির মাথায় আঘাত করেন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে দ্বিতীয় দফায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ২০-২৫ জনের একটি দল ছেনদা, রামদা, লোহার রড ও পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভড্ডা এলাকায় রওশনা বেগমের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে পুনরায় হামলা চালায়।
এ সময় মোশারফ মুন্সি (৩৮), সাথী বেগম (৩০), রাকিব খান (৩০), সুমন মুন্সি (৩৫), সেন্টু ছৈয়াল (৩৫)সহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের মাথায় রক্তাক্ত কাটা জখমসহ গুরুতর আঘাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলার সময় সাথী বেগমের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এছাড়া তার গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। একই সময়ে ঘরের ভেতর থেকে নগদ ২ লাখ ৫ হাজার টাকা লুট করে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা নড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী রতন খান সহ ৪ জনকে আটক করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানা ওসি তদন্ত বলেন, আহত সকলেই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। “ঘটনার পর মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
মাসুম/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);