শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় মিথিলা (১৯) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের দাবি, সন্তান জন্ম দিতে না পারায় মিথিলার দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই থাকত। এর জেরে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (৪এপ্রিল) সকালে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের মধুপুর গ্রাম থেকে মিথিলার লাশ উদ্ধার করা হয়। আর শনিবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মিথিলা জেলার ডামুড্যা উপজেলার ধনাই গ্রামের ইকবাল হোসেনর মেয়ে এবং জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের মধুপুর এলাকার শাহীন হাওলাদারের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর পরই অন্তঃসত্ত্বা হন মিথিলা ওই সময় তার একটি অস্ত্রোপচার হয়। বিষয়টি নিয়ে মিথিলার সঙ্গে স্বামীর মনোমালিন্যসহ ঝগড়া হয়। এ ইস্যুতে স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় নির্যাতনসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে বিভিন্ন সময় লাঞ্ছিত করে শাহীন। চার দিন আগে ঝগড়ার জেরে মিথিলাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় স্বামী।
শনিবার দুপুরে মিথিলা তার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে এসে তার ননদের সঙ্গে কথা বলে নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়েন। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও মিথিলা দরজা না খোলায় তাকে ডাকাডাকি করতে থাকেন পরিবারের সদস্যরা। তবে রুমের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই সময় মিথিলার ননদ দরজার ফাঁক দিয়ে ভাবীর ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে মিথিলাকে উদ্ধার করেন। পরে খবর দেওয়া হলে নড়িয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিথিলার লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বামী শাহীন হাওলাদার জানান, কয়েকদিন ধরেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল। আজ বিকেলে তিনি যখন বাহিরে ছিলেন তখন প্রতিবেশীর মাধ্যমে খবর পান, রুমের ভেতর ঘরের আড়ার সাঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছেন মিথিলা পরে তিনি বাসায় গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নড়িয়া থানার ওসি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শশুর, শাশুড়ি ও স্বামীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);