যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের কোনো পরিকল্পনা নেই, বরং সরকার সেটি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, চুক্তিটি বাতিলের সুযোগ থাকলেও তা ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে করা সম্ভব। পাশাপাশি উভয় দেশের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমরা মনে করি, প্রথমে চুক্তিটি সরকারি পর্যায়ে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা উচিত। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে কাজ করবে।”
তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বাতিল করলে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন প্রেক্ষাপটে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটিও গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।
তবে তিনি জানান, চুক্তির যেসব শর্ত রাষ্ট্রের জন্য সমস্যাজনক বা ক্ষতিকর মনে হতে পারে, সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
চুক্তি বাতিল করলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বা পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত সংকট আবারও তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অনেকে সবকিছুকেই কমনলি (সাধারণভাবে) চুক্তি বলে ফেলি। কিন্তু চুক্তির অনেক ধরন আছে; কিছু আছে এগ্রিমেন্ট, কিছু আছে সমঝোতা স্মারক; বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যেগুলো এগ্রিমেন্ট হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেও যে বেরিয়ে যাওয়া যাবে না তা নয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আইনি বাধ্যবাধকতা এতটাই কঠোর থাকে যে বেরিয়ে যাওয়াটা অনেক সময় থাকার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো চুক্তির কিছু অংশ গোপন রাখার শর্তও থাকে। যদিও জনগণের জানার অধিকার রয়েছে এবং সংসদে উপস্থাপনের সাংবিধানিক বিধানও আছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের জনগণের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো চুক্তি —আগে যেগুলো হয়েছে, সরকার সেগুলোর মূল্যায়ন করবে। এর মধ্যে সমঝোতা স্মারকও থাকতে পারে, যেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা তুলনামূলক সহজ। কিন্তু এগ্রিমেন্টের ক্ষেত্রে বিষয়টি এতটা সহজ নয়। তারপরও আমরা অবশ্যই মূল্যায়ন করব।’
এরই মধ্যে জেসনের সামাজিকমাধ্যমের পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এতদিন তিনি নিজের নাম ব্যবহার করতেন ‘জেসন সঞ্জয় ভি’ হিসেবে। কিন্তু এবার নামের পাশ থেকে বাবার নামের আদ্যক্ষর ‘ভি’ সরিয়ে ‘এস’ ব্যবহার করেছেন, যা তার মা সঙ্গীতার নামের আদ্যক্ষর বলে মনে করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, এর আগে সামাজিকমাধ্যমে বাবাকে ‘আনফলো’ করার খবরও প্রকাশ্যে আসে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জেসন প্রকাশ্যেই মায়ের পক্ষ নিয়েছেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);