মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ১৪২% সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রশংসা রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬৩ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬৩ আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল সাগরে লঘুচাপ, পাঁচদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি পথচারীকে চাপা দিয়ে হত্যা, বাস আটক ডিএমপিতে ৫ অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের পদায়ন ‘সরকার কাউকে গুম করেনি, করতেও দেবে না’ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসে প্রতিষ্ঠিত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২২ ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৪ অপরাধ দমনে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কাছে হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৯৬ ঢাকায় বাড়বে গরম, বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

মাছ-মাংস-ডিমের দামে চাপ | Amar Bangla BANGLADESH

সীমু দা
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ন
%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B %E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8 %E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0 %E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87 %E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA Amar Bangla BANGLADESH

রাজধানীর খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দামে স্বস্তি ফিরছে না। ডিম, মাছ, মাংস ও ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি বেশ কিছু সবজির দামও সাধারণ ক্রেতাদের বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। আয় অপরিবর্তিত থাকলেও বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।


শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। এক মাস আগে একই ধরনের ডিমের দাম ছিল প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে দামের ওঠানামা থাকলেও বর্তমান মূল্য এখনো ক্রেতাদের জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে আছে।Time & Calendars


মুরগির বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৯০ টাকায়। একই সময়ে সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি প্রায় ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ টাকায়।


সবজির দামের ক্ষেত্রেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং গাজর ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।


অন্যদিকে ঝিঙা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


মাছের বাজারেও একই চিত্র। খুচরা পর্যায়ে পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা। মানভেদে চিংড়ির দাম ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি।


এছাড়া ট্যাংরা মাছ ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের কইয়ের দাম প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।


কাওরান বাজারে ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। তার মতে, বৃষ্টি-বন্যাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।


অন্যদিকে ডিম ব্যবসায়ীদের দাবি, খুচরা বিক্রেতারা নিজেরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন না। আড়ত থেকে বেশি দামে ডিম কিনতে হওয়ায় তাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। একজন বিক্রেতা জানান, প্রতি ডজন ডিমে তাদের লাভ প্রায় ৪ থেকে ৬ টাকা; পরিবহন ও অন্যান্য খরচ হিসাব করেই পণ্যের দাম নির্ধারণ করতে হয়।


বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ডিমের বাজারদর মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। সাম্প্রতিক বন্যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কিছু খামারে মুরগি মারা যাওয়ায় ডিমের সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।South Asians &


নয়াবাজারে বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, আগে নির্দিষ্ট বাজেটে পরিবারের প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য কেনা সম্ভব হলেও এখন একই টাকায় তুলনামূলক কম পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। সবজির পাশাপাশি মাছ ও মাংসের দামও বেশি হওয়ায় পরিবারের খাবারের তালিকা ঠিক রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।


বাজার পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয় না বাড়ায় অনেক পরিবারকে প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। ফলে খাবারের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ শুধু দৈনন্দিন ব্যয় বাড়াচ্ছে না, পরিবারগুলোর সামগ্রিক জীবনযাপনেও প্রভাব ফেলছে।


আমার বাঙলা/ রাব্বি




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By