বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বন্ধ ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচার শেরপুরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলে যোগ দিলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক ১১ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির আভাস অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন নেতানিয়াহু টাঙ্গাইলে দুই গ্রামের সংঘর্ষ: ১৪৪ ধারা জারি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় পড়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস আকাশ প্রতিরক্ষার নতুন শক্তি তৈরি করল ইরান ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত গাছে উঠেছিলেন আম পাড়তে, ফিরলেন লাশ হয়ে! আমার একটা ছাওয়াল আছে, আমি খালাস চাই: সোহেল হাদি হত্যা নিয়ে জামায়াত আমিরের পিএসের সম্পৃক্ততার দাবি বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ, আজ ঘোষণা তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া অফিস ইসলামী ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান ঈদকে পুঁজি করে বালিয়াড়ি দখল, গড়ে উঠল শত শত দোকান প্রথম দিনে দেশে ফিরলেন ৬১৭৫ হাজি ১০ কোটি টাকা: অভিযোগ নিয়ে হাসনাত-প্রশাসকের ফোনালাপ ১৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’ প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪১৯ হাজি 

ভাঙা হলো ছাপড়া, রইল বড় স্থাপনা

সীমু দা
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ন
%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE %E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B %E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE %E0%A6%B0%E0%A6%87%E0%A6%B2 %E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BC %E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE

রেলের জমিতে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের নামে অভিযান চালিয়ে শতাধিক ছোট ছাপড়া স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও অক্ষত রয়ে গেছে রেললাইনের পাশের শত শত স্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের স্থাপনা রেখে শুধু ছোট ব্যবসায়ীদের দোকান উচ্ছেদ করে ‘লোক দেখানো’ অভিযান চালিয়েছে রেলওয়ে।

বুধবার (১০ জুন) গাইবান্ধা শহরে রেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রেলওয়ের বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুর হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

তবে অভিযানের পরও রেললাইনের দুই পাশের বিপৎসীমানার ভেতরে থাকা কয়েক শত স্থায়ী দোকান, মার্কেট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা বহাল তবিয়তে থাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেলবিধি অনুযায়ী রেললাইনের দুই পাশে ১৫ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ। কিন্তু গাইবান্ধা শহরের কাউয়া চত্বর থেকে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ৫০০ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব স্থাপনার অনেকগুলোই স্থায়ী ভবন ও মার্কেট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৫ বছরে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নামসর্বস্ব ক্লাব, সংগঠন কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আড়ালে রেলের জায়গা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে কাগজপত্র তৈরি করে বিপৎসীমানার মধ্যেই এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, প্রতিবছর এক-দুইবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও বড় স্থাপনাগুলোর দিকে হাত দেওয়া হয় না। বরং ছোট ছোট টিনশেড দোকান ভেঙে অভিযান শেষ করা হয়। কয়েকদিন পর আবার সেসব দোকান বসে যায়। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, অভিযানের আগেই অনেক ব্যবসায়ীকে ঘর সরিয়ে নেওয়ার জন্য গোপনে সতর্ক করা হয়। ফলে প্রকৃত অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

অভিযান চলাকালে রেলওয়ের বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুর হোসেন, গাইবান্ধা রেলস্টেশন মাস্টার শ্রী সুমিত চন্দ্র, সার্ভেয়ার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও রেলওয়ে পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেন।

তবে কেন বিপৎসীমানার মধ্যে থাকা স্থায়ী মার্কেট ও বড় স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়নি— এমন প্রশ্নের জবাবে গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শ্রী সুমিত চন্দ্র বলেন, “যেসব স্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি, সেগুলোর জায়গা রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া। সে কারণে সেগুলো উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি।”

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, রেলবিধি অনুযায়ী যেখানে বিপৎসীমানার মধ্যে স্থাপনা নির্মাণই ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ, সেখানে কীভাবে সেই জায়গা ইজারা দেওয়া হলো? আর যদি ইজারা দিয়েই থাকে, তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে সেসব স্থাপনা বহাল রাখার যৌক্তিকতা কোথায়?

এদিকে রেললাইনের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনাগুলো অপসারণ না হওয়ায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রকৃত অবৈধ দখলদার ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু ছোট ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করলে সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না।

!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,

fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Theme Created By