ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলী এলাকায় তানভীর আহমেদ মেরাজ (২২) নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা এক নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাউতলী এলাকার হাসান মিয়ার মালিকানাধীন একটি বাড়ির চতুর্থ তলার কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেরাজ সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের উলচাপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি কাউতলী পূর্বপাড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন মেরাজ। মঙ্গলবার সকালে ঘরের ভেতরে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে রশি দিয়ে ফাঁ/স লাগিয়ে আ/ত্মহত্যা করেন তিনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝু/লন্ত অবস্থায় তার ম/রদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ঘটনাস্থল থেকে একটি হৃদয়বিদারক বার্তাও উদ্ধার করা হয়েছে, যা দেয়ালে লেখা ছিল বলে জানা যায়। বার্তায় তিনি লেখেন, “আমার এই দুনিয়াতে যা ভোগ করার সব আলহামদুলিল্লাহ ভোগ করা শেষ। আর দুনিয়াতে থাকার কোনো ইচ্ছা আমার নাই। তাই আমি নিজ ইচ্ছায় দুনিয়া ত্যাগ করিয়াছি।”
এছাড়াও তিনি লিখেছেন, “আমি মেরাজ ইকটু অন্যরকম, আমার মতো কেউ হয়তে যায়েন না। অনেককে কষ্ট দিছি আমি, পারলে মাফ কইরেন।”
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আ/ত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);