জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দেখা যাচ্ছে একই দৃশ্য—দীর্ঘ সারি, ক্লান্ত অপেক্ষা এবং অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকরা প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, তারা রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে চান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ না পাওয়ায় ফিলিং স্টেশনগুলো চাপে রয়েছে। এই অবস্থায় নির্দিষ্ট সময় পাম্প বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা হচ্ছে।
সভায় পাম্প মালিকরা আরও জানান, বর্তমান সংকটে সবচেয়ে বড় সমস্যা সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় ট্যাংকার আংশিক লোড নিয়ে পাঠানো হয়, ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। তাই তারা ট্যাংকার সম্পূর্ণ ভর্তি করে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে খরচ কমানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা যায়।
এ সময় একই জেলার একাধিক পাম্পে একসঙ্গে সরবরাহের ক্ষেত্রেও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে অননুমোদিতভাবে তেল বিক্রি বা মজুত করার ঘটনা ঘটতে পারে, তবে সেটি পুরো খাতের প্রতিনিধিত্ব করে না।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);