ইসরায়েলের একটি সংবাদমাধ্যম হিজবুল্লাহর ড্রোন নিয়ে ইহুদিবাদীদের চরম ভীতির কথা উল্লেখ করে একে একটি “ক্রমবর্ধমান দুঃস্বপ্ন” হিসেবে বর্ণনা করেছে। পত্রিকাটির মতে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এখন একজন ক্লান্ত, দুর্বল এবং ‘লেংড়া হাঁসের’ (রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাহীন বা অকার্যকর) মতো দেখাচ্ছে।
পার্সটুডের বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদ সংস্থা ‘ইরনা’ জানিয়েছে, ইসরায়েলি সংবাদপত্র “মা’রিভ” (Maariv) লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অধিকৃত ফিলিস্তিনের উত্তরাঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন।
পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে, “নেতানিয়াহুকে এখন একজন ল্যাংড়া হাঁসের মতো দুর্বল ও ক্লান্ত দেখাচ্ছে।” তারা আরও যোগ করেছে, “লেবানন থেকে আসা এই দুঃস্বপ্ন ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ছে এবং খুব শিগগিরই এই ড্রোনগুলো পশ্চিম তীর, গাজা বা অন্য যেকোনো স্থানেও হাজির হতে পারে।”
ইহুদিবাদী এই সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আতঙ্কের মধ্যে ড্রোন ঠেকাতে লাখ লাখ মিটার জুড়ে জাল পেতেছে এবং লেবাননে থাকা সেনারা হিজবুল্লাহর ড্রোনের কবল থেকে বাঁচার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।
একই প্রসঙ্গে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে হিজবুল্লাহর একটি আত্মঘাতী ড্রোন বিস্ফোরণে দখলদার সেনাবাহিনীর এক নারী সেনা নিহত এবং আরও দুই সেনা আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক অভিযানের ধরনে এক লক্ষণীয় পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, হিজবুল্লাহর এই পরিবর্তন এখন আর বিক্ষিপ্ত আক্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি সুসংগঠিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক রূপ নিয়েছে। ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এই বিষয়টি লেবানন সীমান্তের মাঠপর্যায়ের যুদ্ধের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
এর আগে, লেবাননের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ‘মুনির শেহাদেহ’ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর ড্রোন অভিযানের জটিলতা ও বিভিন্ন যুদ্ধকৌশল মূল্যায়ন করে জোর দিয়ে বলেছিলেন, “প্রতিরোধ যোদ্ধারা (হিজবুল্লাহ) এই ধারাবাহিক লড়াইয়ের মাধ্যমে এই সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে যে—দক্ষিণ লেবানন কেবল একটি প্রতিরক্ষামূলক সীমান্ত নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়কারী যুদ্ধের ময়দান; যেখানে ইসরায়েলের যেকোনো ধরনের অগ্রযাত্রা তাদের জন্য মারাত্মক চড়া মূল্য বয়ে আনবে।”
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);