খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ সিন্দুকছড়ি জোন।
এরই অংশ হিসেবে রবিবার (২১ জুন) মানিকছড়ি উপজেলার ‘দক্ষিণ হাফছড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’র সংস্কার এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখে যায়, দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা বিদ্যালয় ভবনটি সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে পুনঃসংস্কার করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে একটি নতুন বারান্দা নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উন্নত ও উপযোগী পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তার লক্ষে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যালয় সংস্কার ও শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল ইসমাইল সামস আজিজি। এসময় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা অর্জন ও দেশ গঠনে নিজেদেরকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, শিক্ষা হলো জাতির উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। যা অর্জনের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রধান শিক্ষক সুইচিং মারমা বলেন, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষক স্থানীয়দের সহযোগিতায় শতাধিক শিক্ষার্থীকে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে নতুন করে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দুর্গম এ অঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়ন হবে বলেও তিনি মনে করেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরণের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের ইতিবাচক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দুর্গম এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কার্যক্রম অতিতের ন্যায় ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);