বিশ্ব ফুটবল যখন ২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তাপে মগ্ন, তখন আর্জেন্টিনার সান্তা ফে অঞ্চলের ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্ট্রোক করার পর প্রায় ২০ দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তরুণ ফুটবলার লাউতারো ফাজিওলি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২২ বছর।
গত ১ জুন নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান ফাজিওলি। অবাক করার বিষয়, এর মাত্র একদিন আগেই তিনি সান্তা ফে কাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত হোসে মারিয়া কালেন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টাও শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।
লাউতারোর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে তার ক্লাব কোলন দে সান জাস্তো। এক শোকবার্তায় ক্লাবটি জানায়, ‘আমাদের প্রথম বিভাগের ফুটবলার লাউতারো ফাজিওলির মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের প্রতি জানাই আন্তরিক সমবেদনা।’
তরুণ এই ফুটবলারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ক্লাবের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সান্তা ফে কাপের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাউতারোর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাত্র এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন ফাজিওলি। তার অসুস্থতা ছিল সম্পূর্ণ আকস্মিক। মৃত্যুর কয়েকদিন আগেও তিনি মাঠে স্বাভাবিকভাবেই খেলেছেন এবং সতীর্থদের সঙ্গে জয়ের আনন্দ উদযাপন করেছেন।
ক্লাবের পরিচালক হোসে লুইস রেপেতো বলেন, ‘সোমবার সকালে কিছুটা অসুস্থ অনুভব করেছিল সে। অথচ আগের দিনের ম্যাচে তার মধ্যে কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ দেখা যায়নি। ম্যাচ জয়ের পর সে সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের সঙ্গে আনন্দ উদযাপনেও অংশ নিয়েছিল।’
লাউতারোর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে সান্তা ফে ফুটবল লিগও। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘আমাদের ফুটবল পরিবারের সদস্য লাউতারোর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার পরিবার, বন্ধু ও কোলন দে সান জাস্তো ক্লাবের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
মাত্র ২২ বছর বয়সেই থেমে গেল এক সম্ভাবনাময় ফুটবলারের জীবন। যে তরুণ কিছুদিন আগেও মাঠে লড়াই করছিলেন দলের জয়ের জন্য, তাকে এখন অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে স্মরণ করছে আর্জেন্টিনার ফুটবল সমাজ।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);