বিশ্বের দীর্ঘতম বাণিজ্যিক বিমানসেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থা কান্তাস এয়ারওয়েজ। সিডনি থেকে লন্ডন ও নিউইয়র্কে প্রায় ২০ থেকে ২২ ঘণ্টার বিরতিহীন ফ্লাইট চালুর আগে যাত্রীদের ক্লান্তি ও জেট ল্যাগ কমানোর লক্ষ্যে ঘুম, আলোকব্যবস্থা, খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চা নিয়ে পরিচালিত দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘প্রজেক্ট সানরাইজ’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগে বিশেষভাবে নকশা করা এয়ারবাস এ৩৫০-১০০০ইউএলআর উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে। এসব বিমানে থাকবে বিশেষ ‘ওয়েলনেস জোন’, যেখানে দীর্ঘ সময় আসনে বসে থাকার পরিবর্তে যাত্রীরা হেঁটে বেড়াতে, শরীরচর্চা ও স্ট্রেচিং করতে পারবেন। এছাড়া শরীরের জৈবঘড়ি বা সার্কাডিয়ান ছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা থাকবে, যা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পরিবেশ অনুকরণ করবে।
ঘুমবিজ্ঞানী এবং সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিটার সিস্টুলি বলেন, একাধিক সময় অঞ্চল অতিক্রম করা মানবদেহের জন্য একটি বড় জৈবিক চ্যালেঞ্জ। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার পরিবেশন, উড্ডয়নের পরপরই ভারী খাবার পরিহার এবং পরিকল্পিত আলোকব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য উপযোগী ঘুমের পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। এতে দীর্ঘ যাত্রার পরও যাত্রীরা তুলনামূলকভাবে সতেজ অনুভব করতে পারেন।
কান্তাস ও সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা কয়েক বছর ধরে যাত্রীদের ঘুমের ধরণ, আলোর সংস্পর্শ, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক নড়াচড়া নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছেন। সেই গবেষণার ভিত্তিতেই নতুন প্রজন্মের এই দীর্ঘপাল্লার বিমানসেবার অভিজ্ঞতা নকশা করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের জৈবঘড়ি নিয়ন্ত্রণে আলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ফ্লাইট চলাকালে আলোর রং, উজ্জ্বলতা ও ব্যবহারের সময় পরিবর্তনের মাধ্যমে যাত্রীদের গন্তব্যের সময় অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সহায়তা করা সম্ভব। এতে জেট ল্যাগের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে।
কান্তাসের প্রত্যাশা, দীর্ঘ যাত্রার কষ্ট কমিয়ে এবং যাত্রার সময় সাশ্রয় করে এসব নন-স্টপ ফ্লাইট যাত্রীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। সংস্থাটি ২০২৭ সালে সিডনি-লন্ডন রুটে প্রথম বাণিজ্যিক ‘প্রজেক্ট সানরাইজ’ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
সূত্র: রয়টার্স।
রোহান/সা.এ.
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);