কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে মেইল ট্রেনের ধাক্কায় যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে প্রতি পরিবার ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, একটি জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের কমিটি পাঁচ সদস্যের, আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: কুমিল্লা বিআরটিএ সহকারী পরিচালক ফারুক আলম, ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. মমিন, কুমিল্লা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার, এবং ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন।
রেলওয়ের দুটি কমিটিতে ৬ জন করে সদস্য থাকছে।
বিভাগীয় কমিটি: আহ্বায়ক – বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম) আনিসুর রহমান। অন্যরা – বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু রাফি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী রেজওয়ান-উল-ইসলাম, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. তাহামিনা ইয়াছমিন, আরএনবি কমান্ড্যান্ট মো. শহীদ উল্লাহ।
জোনাল কমিটি: আহ্বায়ক – চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) মো. সফিকুর রহমান। অন্যরা – চিফ ইঞ্জিনিয়ার মো. তানভিরুল ইসলাম, চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সাদেকুর রহমান, চিফ সিগনাল ও টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার তারেক মোহাম্মদ শামছ তুষার, চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. ইবনে সফি আব্দুল আহাদ, চিফ কমান্ড্যান্ট জহিরুল ইসলাম।
দুর্ঘটনার বিবরণ
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেন ‘মামুন পরিবহন’ নামের যাত্রীবাহী বাসটিকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনটি বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে টেনে নেয়। প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, নিহতের সংখ্যা পরে বেড়ে দাঁড়ায় ১২-এ।
প্রশাসনের পদক্ষেপ
দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে, বিশেষভাবে খতিয়ে দেখতে হবে পদুয়ার বাজারের সিগন্যাল বা গেটম্যানের কোনো গাফিলতি ছিল কি না।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);