জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে না পারলে দেশে বেকারদের নেতৃত্বে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর মুক্তমঞ্চে দেশব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস আলম বলেন, “বিএনপি সরকারকে বলতে চাই, আপনারা আমাদের গণঅভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা ছিলেন। আপনারাও নিপীড়িত-নির্যাতিত ছিলেন। এই নতুন বাংলাদেশের পেছনে তরুণ প্রজন্মের কোটা সংস্কার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন সেই তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি তা করতে না পারেন, যেদিন চাকরির অভাবে তরুণরা বিক্ষুব্ধ হবে, সেদিন কর্মসংস্থানের দাবিতে বেকারদের নেতৃত্বে আরেকটি অভ্যুত্থান হবে।”
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বহু মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। তাদের প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও জীর্ণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হবে। তবে গত দুই বছরে সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়ায় এনসিপি মাঠপর্যায়ে মানুষের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সারজিস আলম আরও বলেন, শুধু ঢাকা-কেন্দ্রিক রাজনীতি নয়, দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে গিয়ে মানুষের কথা শুনতে হবে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের তরুণ যোদ্ধাদের প্রত্যাশা ও চাহিদাকে আগামী বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দিতে হবে।
সরকারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বিদ্যুৎমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “শুধু বক্তব্য নয়, বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আপনার নিজের জেলা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়াতেও লোডশেডিং হয়—এটা এখানকার মানুষই সাক্ষ্য দেবে।”
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে সারজিস বলেন, সরকার দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু চার থেকে সাড়ে চার মাস পার হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “উল্লাপাড়ায় নতুন করে এক হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে কি? হয়নি। মানুষের অভাব আরও বেড়েছে। অনেক কার্ড তো দিয়েছেন, এবার তরুণদের জন্য একটি ‘বেকার কার্ড’ দেওয়া শুরু করুন।”
সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকারসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাজু/নিএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);