পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুক্রবার জুমার নামাজ চলাকালীন একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলা সংঘটিত হয়েছে। ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাটি ইসলামাবাদের উপকণ্ঠের তারলাই এলাকার ইমাম বারগাহ কাসর-ই-খাদিজাতুল কুবরা মসজিদে ঘটেছে। মসজিদটি শিয়া সম্প্রদায়ের উপাসনালয়। পাকিস্তানের ২৪ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে সুন্নি মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও শিয়ারা সংখ্যালঘু, এবং তারা পূর্বেও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার শিকার হয়েছে। বিশেষ করে কট্টরপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলাকারী জুমার নামাজ চলাকালীন মসজিদের প্রবেশপথে পৌঁছালে তাকে থামানো হয়। এরপরই তিনি বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ঘটান। বিশ্বব্যাপী জঙ্গিগোষ্ঠীর অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আইএসের এক যোদ্ধা মুসল্লিদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরকভর্তি জ্যাকেট পরিধান করে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নামাজ শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বিকট বিস্ফোরণে মসজিদ এলাকা কেঁপে ওঠে। এক মুসল্লি ইমরান মাহমুদ এএফপিকে জানান, হামলার সময় হামলাকারী ও তার সম্ভাব্য সহযোগীর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী নিরাপত্তাকর্মীদের গোলাগুলি হয়। তিনি বলেন, হামলাকারী মসজিদের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। এ সময় পেছন থেকে স্বেচ্ছাসেবীরা গুলি চালালে তার ঊরুতে গুলি লাগে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
সূত্র : এনএইচকে, এএফপি
কুশল/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);