মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: দীর্ঘ ৩৫ বছরের বঞ্চনা আর মানবেতর জীবনের অবসান ঘটিয়ে অমিমাংসিত ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে ইরাক-কুয়েত প্রত্যাগত বাংলাদেশী কল্যাণ সমিতি।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩০শে জুনের মধ্যে দাবি পূরণের স্পষ্ট আশ্বাস না পেলে ৩০শে জুলাইয়ের পর থেকে মহাসমাবেশসহ ধারাবাহিক কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৯০ সালের ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের কারণে প্রায় ৭২ হাজার শ্রমিক রিক্ত হস্তে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তারা ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রজন্মের ‘রেমিটেন্স যোদ্ধা’।
অথচ দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকেও তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকার তাদের সঙ্গে প্রতারণা ও বেঈমানী করেছে। বর্তমানে কৃষক-শ্রমিক বান্ধব নির্বাচিত সরকারের প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তারা দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
সংগঠনটির মূল দাবি মূল দাবি ও প্রেক্ষাপট: সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতিসংঘ (UNCC) কর্তৃক স্বীকৃত পাওনার মাত্র ৫ শতাংশ তারা এ পর্যন্ত পেয়েছেন, বাকি ৯৫ শতাংশ অর্থ এখনো বকেয়া রয়েছে। জাতিসংঘ থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ প্রদানে সরকারি আমলাতন্ত্র ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অনীহা নিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিএমইটি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কয়েক দফা বৈঠক করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সঠিক প্রতিবেদন প্রদান করেনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, “আমরা সরকারের কাছে কোনো ভিক্ষা চাচ্ছি না। আমাদের পাওনা অর্থ জাতিসংঘ থেকে আসবে, যা বিএমইটি-র মাধ্যমে বিতরণ হওয়ার কথা। জেনেভাস্থ জাতিসংঘ দপ্তর থেকেও আমাদের জানানো হয়েছে যে, দাবিগুলো নিজ নিজ সরকারের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিএমইটি বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে।”
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুল হক মিজান, সহ-সভাপতি আবু তাহের সরকার, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এস. এম. ওয়ালীউল্যাহ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া আবদুল হন্নান, কোষাধ্যক্ষ আবুল হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টা হাজী বাচ্চু মিয়া। এছাড়াও সিলেট বিভাগ ও বিভিন্ন জেলা কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে তারা ন্যায্য বিচার প্রত্যাশা করেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না আসে, তবে ৭২ হাজার পরিবারকে নিয়ে তারা রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
!function(f,b,e,v,n,t,s)
{if(f.fbq)return;n=f.fbq=function(){n.callMethod?
n.callMethod.apply(n,arguments):n.queue.push(arguments)};
if(!f._fbq)f._fbq=n;n.push=n;n.loaded=!0;n.version=’2.0′;
n.queue=[];t=b.createElement(e);t.async=!0;
t.src=v;s=b.getElementsByTagName(e)[0];
s.parentNode.insertBefore(t,s)}(window,document,’script’,
‘
fbq(‘init’, ‘481304049944631’);
fbq(‘track’, ‘PageView’);